পাকিস্তানকে সামান্য এগিয়ে রাখলেন শান্ত, তবুও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
পাকিস্তানকে সামান্য এগিয়ে রাখলেন শান্ত, তবুও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে সামান্য এগিয়ে রাখলেন শান্ত, তবুও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে সামান্য এগিয়ে রাখলেন শান্ত, তবুও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচ শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে দলের পরিকল্পনা ও আত্মবিশ্বাস তুলে ধরলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের ঐতিহ্যবাহী পেস আক্রমণ নিয়ে মূল্যায়ন করতে গিয়ে বাংলাদেশের বোলিং ইউনিটকে সামান্য এগিয়ে রাখেন তিনি। প্রতিপক্ষের শক্তির স্বীকৃতি দিলেও নিজের দলের সাম্প্রতিক উন্নতির ওপর আস্থা প্রকাশ করেন শান্ত।

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের পেস বোলিং ঐতিহ্যগতভাবেই খুব শক্তিশালী, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে গত কয়েক বছর ধরে আমাদের পেসাররা যেভাবে বোলিং করছে তাতে আমি বলব আমাদের পেস অ্যাটাক হয়তো সামান্য এগিয়ে থাকবে।’

দলে লাল বলের ক্রিকেটে তাসকিন আহমেদের প্রত্যাবর্তন নিয়েও কথা বলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। দীর্ঘ সময় ধরে ইনজুরি ও ফিটনেস ব্যবস্থাপনার কারণে তাকে নিয়মিত পাওয়া না গেলেও এবার তার প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট টিম ম্যানেজমেন্ট।

এই প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘তাসকিন সবসময়ই লাল বলের ক্রিকেট খেলতে চায় তবে ফিটনেস এবং ইনজুরি ব্যবস্থাপনার কারণে তাকে সবসময় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয় না। এই সিরিজের আগে ট্রেনার ও ফিজিওর সাথে দীর্ঘ আলোচনার পর তার ফিটনেস নিয়ে ইতিবাচক ফিডব্যাক পাওয়া গেছে। তাসকিন দলে থাকলে ক্যাপ্টেনের কাজ সহজ হয়ে যায় এবং দল বাড়তি আত্মবিশ্বাস পায়।’

এছাড়া তরুণ এক্সপ্রেস পেসার নাহিদ রানাকে নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন অধিনায়ক। তার মতে, দলের জন্য এমন গতিময় বোলার থাকা সবসময়ই বাড়তি সুবিধা তৈরি করে।

শান্ত বলেন, ‘আমি রানাকে অনেক ছোটবেলা থেকেই চিনি এবং জানি সে কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে। একজন অধিনায়কের জন্য দলে এমন একজন গতিশীল বোলার থাকা সবসময়ই বাড়তি পাওনা। সে বর্তমানে খুব ভালো ফর্মে আছে এবং আশা করি সিরিজে নিজের সেরাটা দেবে।’

এই একই পেস আক্রমণ নিয়েই ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই সাফল্যকে অতীত হিসেবেই দেখছেন শান্ত, যিনি বর্তমান পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে হোয়াইটওয়াশ বা এই ধরনের বড় শব্দ নিয়ে চিন্তা করি না। আমার লক্ষ্য হলো পাঁচ দিনের প্রতিটি সেশনে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলা এবং সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। প্রসেস ঠিক থাকলে ফলাফল ইতিবাচক হবে।’