স্কুল ক্রিকেটের স্মৃতি আর নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে ভেসে উঠল প্রাইম ব্যাংক টুর্নামেন্ট

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
স্কুল ক্রিকেটের স্মৃতি আর নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে ভেসে উঠল প্রাইম ব্যাংক টুর্নামেন্ট

স্কুল ক্রিকেটের স্মৃতি আর নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে ভেসে উঠল প্রাইম ব্যাংক টুর্নামেন্ট

স্কুল ক্রিকেটের স্মৃতি আর নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে ভেসে উঠল প্রাইম ব্যাংক টুর্নামেন্ট

স্কুল ক্রিকেট ,একসময়কার সেই সীমিত সরঞ্জাম, ভাগাভাগি করা ব্যাট-হেলমেট আর অফুরন্ত স্বপ্নের দিনগুলোই আজকের জাতীয় দলের তারকাদের গড়ে তোলার পেছনে বড় ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেটের এবারের আসর সামনে রেখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফিরে দেখা হলো ঠিক এমনই কিছু শুরুর গল্প, যেখানে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয় স্মৃতিচারণায় ভাসলেন নিজেদের ক্রিকেট যাত্রার প্রথম অধ্যায় নিয়ে।

স্কুল ক্রিকেটের সঙ্গে হৃদয়ের সম্পর্ক বেশ গভীর। টানা চার বছর এই টুর্নামেন্টে খেলেছেন তিনি, একবার হয়েছেন চ্যাম্পিয়নও। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গিয়ে হৃদয় ফিরে যান সীমিত সুযোগ-সুবিধার দিনগুলোতে। তিনি বলেন, 

"একই ব্যাট, একই হেলমেট পরে ব্যাটিংয়ে নামার জন্য সবাই অনেক তাড়াহুড়ো করতাম। খেলার সরঞ্জাম খুব বেশি ছিল না, বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে আসার পর যেভাবে সহজে পাওয়া গেছে। তবে এসবের মধ্যেও অনেক রোমাঞ্চ থাকে।"

শুধু স্মৃতিচারণই নয়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্কুল ক্রিকেটের আয়োজন নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন এই জাতীয় দলের ব্যাটার। টুর্নামেন্টের সময়সূচি নিয়ে কিছুটা আক্ষেপ ঝরিয়ে তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। হৃদয় বলেন,

"আমি সবসময় স্কুল ক্রিকেট ফলো করি। যদি ভুল না করি, এক-দুই বছর আগে বৃষ্টির কারণে খেলা হয়নি; তখন টসে চ্যাম্পিয়ন ঠিক হয়েছে। এমন একটা টুর্নামেন্ট, যেখান থেকে অনেক খেলোয়াড় উঠে আসে এবং ভবিষ্যতেও উঠে আসবে। আমি চাই টুর্নামেন্টটা যেন বৃষ্টির মৌসুমে না হয়ে একটু আগে হয়, তাহলে সবাই সব ম্যাচ খেলতে পারবে।"

অন্যদিকে, নাজমুল হোসেন শান্তর স্কুল ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা ছিল কিছুটা ভিন্ন ধাঁচের। স্কুল পর্যায়ের একটি দল নিয়ে কেরালা সফরে অংশ নিয়ে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি, যা পরবর্তীতে তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সেই স্মৃতি মনে করে শান্ত বলেন,

"তখন স্কুল ক্রিকেটের একটা সফর ছিল কেরালাতে। ওই টুর্নামেন্টটা আমার ক্যারিয়ারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ আমি সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলাম। তারপর অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খুব তাড়াতাড়ি চলে এসেছিলাম। আমি মনে করি স্কুল ক্রিকেটটাকে বড় করে দেখা উচিত।"

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বড় পরিসরে মাঠে গড়াচ্ছে প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট। দেশের ৬৪ জেলার প্রায় ৩৫০টি স্কুলের সাড়ে ৮ হাজারের বেশি খুদে ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছে এই টুর্নামেন্টে। মোট ৬৫১ ম্যাচের এই প্রতিযোগিতা ১০ এপ্রিল থেকে জেলা পর্যায়ে শুরু হয়ে ধাপে ধাপে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে গড়াবে।