সিনিয়রদের বিশ্রামে, তরুণদের হাতে সুযোগ দেখছেন লিটন

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 7 ঘন্টা আগে আপডেট: 15 মিনিট আগে
সিনিয়রদের বিশ্রামে, তরুণদের হাতে সুযোগ দেখছেন লিটন

সিনিয়রদের বিশ্রামে, তরুণদের হাতে সুযোগ দেখছেন লিটন

সিনিয়রদের বিশ্রামে, তরুণদের হাতে সুযোগ দেখছেন লিটন

নতুন সিরিজের ঠিক আগমুহূর্তে বদলে যাওয়া এক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সামনে এসেছে বাংলাদেশ দল, যেখানে তাৎক্ষণিক ফলের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও পাচ্ছে সমান গুরুত্ব।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজকে ঘিরে প্রস্তুতির মাঝেই বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস নিজের ভাবনায় তুলে ধরেছেন ভবিষ্যতের রূপরেখা, যেখানে ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই দল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার ইঙ্গিত মিলেছে। চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে সামনে আনার বিষয়টি স্পষ্ট করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ অনেক দেরি। এখনও যথেষ্ট সময় আছে খেলোয়াড়দের গ্রো করার জন্য। ম্যাচ খেলানোর ভালো সুযোগ এখন।’

দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই পেসার নাহিদ রানা ও মুস্তাফিজুর রহমানের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সেটিকে নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন না অধিনায়ক। বরং স্কোয়াডে পরিবর্তনের এই সময়টাকে নতুনদের সুযোগ করে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করছেন তিনি। খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও দীর্ঘ ক্যারিয়ার বিবেচনায় নিয়েই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দেন লিটন। এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দুইজন নেই, তারা বাংলাদেশের জন্য বড়। আমি চাই না তারা টানা ক্রিকেট খেলে ইনজুরিতে পড়ে শেষ হয়ে যাক। সামনে ওয়ানডে আছে, টেস্টও আছে। তাই কিছু কিছু জায়গায় পরিবর্তন শুরু করেছি।’

এই সিরিজে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলে নতুন সংযোজন হিসেবে জায়গা পেয়েছেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন এবং রিপণ মন্ডল, যাদের নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুযোগ পাওয়া তরুণদের মানসিক দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাকে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন তিনি। নতুনদের বিকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে লিটন বলেন, ‘দেশের হয়ে একটা ম্যাচ খেলাও অনেক আত্মবিশ্বাস দেয়। যারা সুযোগ পাবে, তারা ধীরে ধীরে ডেভেলপ করবে,’

তবে শুধুমাত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকতে চান না বাংলাদেশ অধিনায়ক। দল গঠনের পাশাপাশি ম্যাচ জয়ের ধারাবাহিকতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। স্কোয়াডের গভীরতা বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক পারফরম্যান্স ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে লিটন বলেন, ‘বেঞ্চ শক্তিশালী করতে হবে, আবার ম্যাচও জিততে হবে। দুইটাই গুরুত্বপূর্ণ।’