বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ আর বিতর্ক যেন একে অপরের সঙ্গী। তবে এসব ছাপিয়ে সিরিজে জয়ে ফিরল বাংলাদেশ। ম্যাচ শুরুর তিন ঘণ্টা আগে অনুশীলনে এসে সফল হলেন অধিনায়ক শান্ত। কথা রেখেছেন ভক্তের। লিটন-সৌম্যর দাপুটে সূচনার পর নাজমুল হোসেন শান্তর ফিফটিতে বাংলাদেশ পেল ৮ উইকেটের বড়। জিততে শেষ ১২ বলে বাংলাদেশের দরকার ছিল ২ রান, শান্তর ফিফটি করতে লাগত ৩। শানাকাকে ওভারের প্রথম বলেই ৬ হাঁকিয়ে একসাথে জয় ও ফিফটির উদযাপনে মাতেন অধিনায়ক শান্ত।
বছরের প্রথম ম্যাচে হার দেখলেও একদিন পরই জয়ে ফিরল বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত বোর্ডের পূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেই জিতিয়েছেন দলকে। মিডল অর্ডারে নেমে হৃদয় দেখালেন ক্রিজে পড়ে থাকার নিবেদন। ৩৮ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন শান্ত। তাওহীদ হৃদয় ২৫ বলে ৩২ রান করে দলের জয়ে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। সিরিজে ফিরতে হলে আজ বাংলাদেশকে জিততেই হত। বোলারদের দাপুটে পারফর্ম্যান্সের কারণে বাকি কাজ সহজ হয়ে যায়। ওপেনিংয়ে নেমেই উড়ন্ত সূচনা এনে দেন সৌম্য, লিটন। এই দুইয়ের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৮ রান, তাও মাত্র ৪১ বলে।রিভিউ বিতর্কের পর অবশ্য সৌম্য সরকার ইনিংস বড় করতে পারেননি। ব্যক্তিগত ২৬ রানে সৌম্য উইকেট হারান মাথিশা পাথিরানার বলে ক্যাচ তুলে। সৌম্যর বিদায়ের পর লিটন দাসও দ্রুত ফেরত যান প্যাভিলিয়নে। পরপর দুই ওভারে পাথিরানার ঝুলিতে যায় জোড়া শিকার। লিটন দাস অবশ্য ২৪ বলে খেলেছেন ৩৬ রানের ইনিংস।তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত এদিন শুরু থেকেই ছিলেন ছন্দে। লিটনের বিদায়ের পর তাওহীদ হৃদয় এসে শান্তকে সঙ্গ দেন। এই দুইয়ের ব্যাটে চড়েই বাংলাদেশ পেয়ে যায় ৮ উইকেটের বড় জয়। ৪৬ বলের জুটিতে তারা করেন ৬৮ রান।