মাঠে সাকিবের পানি খাওয়ার প্রসঙ্গে যা বললেন মুশফিক
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
মাঠে সাকিবের পানি খাওয়ার প্রসঙ্গে যা বললেন মুশফিক
মাঠে সাকিবের পানি খাওয়ার প্রসঙ্গে যা বললেন মুশফিক
ক্রিকেটারদের রোজা রেখে খেলা বা না খেলা নিয়ে বাংলাদেশে হওয়া তর্ক বা বিতর্ক নতুন কিছু নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ওঠা এসব আলোচনা বেশিরভাগ সময়ই অমূলক কিছুর দাবি তোলে। যেখানে নিখুঁত পর্যালোচনার জায়গা থাকে খুব কম। এর আগেও রোজা-কালীন সময়ে মাঠের খেলায় ক্রিকেটারদের পানি পান করা বা খাবার খাওয়া দেখে বাইরের দর্শকদের মনে প্রশ্ন জেগেছে। অথচ এসব ঘটনা সবার জানা ও দেখা। ম্যাচের দিন বেশিরভাগ ক্রিকেটাররা রোজা রাখেন না। কেউ কেউ রাখেন। গতকাল একই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে তানজিম হাসান সাকিবকে নিয়ে।
খেলোয়াড়দের জন্য, বিশেষ করে পেসারদের জন্য ম্যাচের দিন রোজা রাখা সাধারণত কঠিন হয়ে যায়। ওডিআই ম্যাচে একজন নিয়মিত পেসারকে ১০ ওভার বল করতে হয়, মাঠে ফিল্ডিং করতে হয়। তার পরিশ্রমের অংশটা বেশি। বাংলাদেশের মতো জায়গায়, কিছুটা গরমের সময় এখন। এই গরমে মাঠের ক্রিকেটারদের জন্য রোজা পালন করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার বটে। এর আগেও দেখা গেছে ম্যাচের দিন রোজা রাখা থেকে বিরত থাকছেন ক্রিকেটাররা। কোনো কারণে রোজা না রাখতে পারলে, সে ব্যাপারে ইসলাম ধর্ম থেকেও সহজতর বিধান রয়েছে। গতকালের ম্যাচে তানজিম সাকিবকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হয়েছে। ম্যাচের এক পর্যায়ে সাকিবকে কোনো পানীয় পান করতে দেখা যায়। আর তাতেই আলোচনার জায়গা পেয়ে বসে নেটিজেনরা। উক্ত ঘটনা নিয়ে ও তানজিম সাকিবের পূর্বের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তারা আলোচনায় অংশ নেয়। এ ব্যাপারে কথা উঠেছে গতকালের সংবাদ সম্মেলনে। এ প্রসঙ্গে মুশফিকুর রহিম বলেন, “আপনারাও অনেক সময় এরকম করে লেখেন। অন্যান্য মানুষও ভিন্ন কোনো ইস্যুতে লিখতে পারে। আমি সবসময় ভালোটা প্রত্যাশা করব, আপনিও সবসময় ভালো লিখবেন ব্যাপারটা এমন না। একেক মানুষ একেকভাবে চিন্তা করতে পারে, দেখতে পারে, বলতে পারে। ওর প্রেক্ষাপট কী সেটা ভিন্ন। আমিও কিন্তু ওরকম জানি না।”“স্বাভাবিক, আজ যেরকম গরম ছিল, ওর জন্য কঠিন। আর ওর ক্র্যাম্প ছিল। পেস বোলারদের জন্য আরও অনেক কঠিন। রোজা না রেখেও আজ ২-৩ জনের ক্র্যাম্প হচ্ছিল। অনেক কঠিন। একইসাথে যেটা বললাম, এটা যার যার ব্যক্তিগত মতামত।”তানজিম সাকিবের প্রচেষ্টা ও ওয়ার্ক ইথিক নিয়ে প্রশংসা করলেন মুশফিক। তিনি নিজে একজন পরিশ্রমী খেলোয়াড়। অনুশীলন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি জায়গায় সবার আগে মুশফিকের নাম। তানজিমকে পর্যবেক্ষণ করেছেন তিনি। সেই পর্যবেক্ষণ থেকে ইতিবাচকতা খুঁজে পেয়েছেন বাংলাদেশের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। “যদি ভুল না করি, শেষ ওয়ানডেতেও ও ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয়েছে। ও যে বোলিং করে, প্রথম থেকেই শুধু উইকেট নেওয়ার জন্য না। ওর যে ইচ্ছা আর ওয়ার্ক ইথিক। পেস বোলারদের মধ্যে এমনটাই থাকতে হয়। একজন তরুণ যখন এসেই… প্রক্রিয়া, খাওয়াদাওয়া, ফিটনেস বা ওয়ার্ক ইথিক… সবসময় চেষ্টা করে। আগ্রাসন, চেষ্টা এগুলো অনেক বড় ফ্যাক্ট। তরুণ কেউ এসব করলে দলের জন্য বাড়তি পাওয়া। ভালো অভ্যাস নিয়ে এই পরিবেশে আসলে আপনাকে আর শেখাতে হবে না।”
