'যখনই শাস্তি দিয়েছি, দেশের মানুষ আমাকে শেষ করে দিয়েছে'
'যখনই শাস্তি দিয়েছি, দেশের মানুষ আমাকে শেষ করে দিয়েছে'
'যখনই শাস্তি দিয়েছি, দেশের মানুষ আমাকে শেষ করে দিয়েছে'
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেটে দেড়শ রানের বড় জয়ের পর এবার ঢাকায় হারল সিরিজের শেষ ম্যাচ। সিরিজ জেতা না হলেও দলের পারফর্ম্যান্সে সন্তুষ্ট বিসিবি সভাপতি। তবে অনাকাঙ্খিত এক ইস্যুতে বিসিবি সভাপতি সরব। ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে 'অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড আউট' হন মুশফিকুর রহিম। এরপরই তাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়, ফিক্সিংয়ের ইস্যু সামনে এনে মুশফিককে সন্দেহ করা হয়। এ নিয়েই মুখ খুলেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় এক টেলিভিশনে, মুশফিকুর রহিমের বিরুদ্ধে ‘ফিক্সিংয়ের সন্দেহ’ করে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই এ ইস্যুতে ব্যাপক সমালোচনা দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। আজ ঐ টেলিভিশন চ্যানেল ও উক্ত সাংবাদিকের কাছে মুশফিকের পক্ষে থেকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। বিসিবি গেল দুই দিনে চুপ থাকলেও আজ প্রকাশ্যে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষে গণমাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। শাস্তি প্রসঙ্গ এলে বিসিবি সভাপতি জানান, ‘যে কাউকে শাস্তি যখনই দিয়েছি, সারা দেশের মানুষ আমাকে শেষ করে দিয়েছে। মানুষ চায় না এসব, আমিতো এতদিন তাই জানতাম। কেউ কি আমাদের সাপোর্ট করেছে কখনো, কোনো একটা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে। আমরা অপেক্ষা করছিলাম। এই জাগরণটা উঠুক।’ পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে মাঠে দাঁড়িয়েই নাজমুল হাসান পাপন সাংবাদিকদের বলেন,‘জিনিস বদলাচ্ছে। একটা সময় ছিল মিথ্যা কিছু তথ্য দিলেই আপনার মানুষ বেশি খেতো। এটা একটা গ্রহণযোগ্য ছিল। আপনারা তো সাংবাদিক, খোঁজ নিয়ে দেখেন; এ সমস্ত মিথ্যাচার করতে করতে আস্তে আস্তে মানুষ কিন্তু উল্টা কথাও বলছে যে এরা তো ক্রিকেটকে ধ্বংস করার জন্য নামছে। ধারাবাহিকভাবে। আমরা জানি এটা। আমরা এটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। জানুক, তারপর বিসিবির যা করার তা তো করবেই।’নানা ইস্যুতে বিসিবির দায়িত্বহীনতা নিয়ে পাপন দায় স্বীকার করে বলেন, ‘সমস্যাটা হয়েছে এখানে একাধিক। আমি শুধু মিডিয়াকে দোষ দিচ্ছি না। আগে একটা সময় আমি আরও অনেক বেশি জড়িত ছিলাম এ সমস্ত ব্যাপারে। এই সাত-আট মাস আমি যখন এটা বন্ধ করেছি, আসলে বিসিবির যোগাযোগটাও বন্ধ হয়ে গেছে। বিসিবি থেকে কেউ কথা বলছে না। একেকজন হয়তো নিজের মত দিচ্ছে, কিন্তু বিসিবিকে প্রতিনিধিত্ব করছে না।’ ‘আমি কালকে উনাদের সঙ্গে বসে বলেছি কী হলো আপনারা চুপচাপ বসে আছেন কেন। আমি নাই, কাউকে তো বলতে হবে। এটা একটা কারণ। কিন্তু যে কয়টা আমি অনেক দিন ধরে দেখছি, ডাহা মিথ্যা।’ ‘উদারতা না। বাস্তবতা মানুষের কাছে স্পষ্ট এমনিতে হয়ে যাচ্ছে। আপনারা হয়তো একটা গ্রুপকে দেখছেন, আমাদের কাছে অন্যান্য গ্রুপরা নিয়মিত পাঠাচ্ছে। সবকিছুর একটা সীমা আছে, যখন সেটা অতিক্রম করে যায় তখন মানুষ বোঝে এটা সাংবাদিকতা নাকি অন্য কিছু।’
