সিরিজ জিততে বাংলাদেশের সামনে সহজ টার্গেট

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 4 ঘন্টা আগে
সিরিজ জিততে বাংলাদেশের সামনে সহজ টার্গেট

সিরিজ জিততে বাংলাদেশের সামনে সহজ টার্গেট

সিরিজ জিততে বাংলাদেশের সামনে সহজ টার্গেট

সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হারেনি বাংলাদেশ দল। টানা পাঁচ সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে দাপুটে বোলিংয়ে লঙ্কানদের ১৭৪ রানের বেশি করতে দেননি তাসকিন, শরিফুলরা। ৪-০-২৫-২, ৪-০-২৮-১; তাসকিন আহমেদ আর শরিফুল ইসলামের এই বোলিং ফিগারই বলে দেয় লঙ্কান ব্যাটাররা কতটা অস্বস্তিতে ছিলেন পেস সামলাতে। লঙ্কান ব্যাটারদের মধ্যে এদিন আলো ছড়িয়েছেন কেবল কুশল মেন্ডিস। তার ৮৬ রানের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান শানাকার, ১৯।

ইনিংসের শেষ বলে দাসুন শানাকাকে দুর্দান্ত এক রান আউটের ফাঁদে ফেলেন উইকেটকিপার লিটন দাস। দুই রানের জন্য দৌড় দিয়ে লিটনের অবিশ্বাস্য এক থ্রোতে ভাঙে স্টাম্প। স্টাম্পের দিকে না তাকিয়েই লিটন বল ছুড়েন, রান আউটের ফাঁদে পড়ে শানাকার বিদায়ে থামে শ্রীলঙলার ইনিংসও। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা স্কোরবোর্ডে জমা করে ১৭৪ রান।  তিন ম্যাচের সিরিজে টানা তৃতীয়বারের মতো টসে জিতলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, যথারীতি আগের দুই ম্যাচের মতো আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। শুরুর ওভারে ফের আক্রমণে শরিফুল ইসলাম, এসেই লঙ্কান দুই ওপেনার কুশল মেন্ডিস আর ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে করে বিপর্যস্ত। ওভারে মাত্র দুই রান খরচ করে যান। শরিফুল দারুণ শুরু করলেও বাংলাদেশ ব্রেকথ্রু পায় তাসকিন আহমেদের বলে। ইনিংসের চতুর্থ ওভারের শুরুর ডেলিভারিতেই ওপেনার ধনঞ্জয়াকে ফিরিয়ে দেন। বাউন্ডারির চাহিদায় স্ট্রোক খেলা ধনঞ্জয়া ডিপ মিডউইকেটে সৌম্যর হাতে হন সহজ ক্যাচ, ১২ বলে ৮ রানের বেশি করতে পারেননি সিরিজে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে। তিনে নামা কামিন্দু মেন্ডিসকে নিয়ে এরপর দলকে লড়াইয়ে ফেরান কুশল মেন্ডিস। স্কোরবোর্ডে ৪১ রান জমা করে তারা পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষ করে আসে। ইনিংসের ৮ম ওভারে লেগি রিশাদ হোসেনের কাছে বল তুলে দিয়েই উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। রিশাদের এক্সট্রা বাউন্সারে ব্যাট চালিয়ে লং অনে কামিন্দু ক্যাচ হন শরিফুলের হাতে। সাজঘরে ফেরা এই লঙ্কান ব্যাটার এদিন ১২ বলে করেছেন ১২। প্রথম ম্যাচে ৫৯, এরপর ৩৬ রানের ইনিংস খেলা কুশল মেন্ডিস আজও পেয়েছেন ফিফটির দেখা। মাত্র ৩৫ বলে এদিন সিরিজে নিজের দ্বিতীয় পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন লঙ্কান উইকেটকিপার ব্যাটার কুশল। অধিনায়ক হাসারাঙ্গাকে পেয়ে যেন আরও বিধ্বংসী রূপ নেন কুশল মেন্ডিস। তৃতীয় উইকেট জুটিতে তারা ২৭ বলে তুলে ফেলেন পঞ্চাশ রান। তবে জুটির রান যখন ৫৯, নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে উইকেটের দেখা পান মুস্তাফিজুর রহমান। ফিজের বাউন্সারে ব্যাট ছুঁয়ে হাসারাঙ্গা ক্যাচ হন থার্ড ম্যানে দাঁড়িয়ে থাকা শরিফুলের হাতে। আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে আগের দুই ম্যাচ মিস করা ওয়ানিন্দু হসারাঙ্গা ১৩ বলে করেন ১৫। লঙ্কান সহ-অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কাও এদিন ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৫ বল খেলা আসালাঙ্কা ৩ রানের বেশি করতে পারেননি, এবার শরিফুল ইসলামের বলে শর্ট ফাইনে থাকা মুস্তাফিজ লুফে নেন ক্যাচ। কুশল মেন্ডিস ফিফটির পর আরও ভয়ংকর রূপ নিয়ে সেঞ্চুরির খুব কাছেই ছিলেন, তাসকিনকে পুল খেলতে গিয়ে টপ এজে ক্যাচ হন ৮৬ রানে থাকা মেন্ডিস। ৫৫ বলে সমান ৬ চার ও ছক্কায় এই ইনিংস সাজিয়ে যান লঙ্কান ওপেনার। নিজের কোটা শেষ করতে এসে দ্বিতীয় উইকেট ঝুলিতে নেন তাসকিন। এরপর রিশাদ এসে বিদায় করেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসকে, ৭ বল খেলা এই অলরাউন্ডার করতে পারেন কেবল ১০।