ফখরের শতকে বড় সংগ্রহ পাকিস্তানের
ফখরের শতকে বড় সংগ্রহ পাকিস্তানের
ফখরের শতকে বড় সংগ্রহ পাকিস্তানের
এই ম্যাচে যদি ভারত হারে তবে বুমরাহ হয়তো কখনোই ক্ষমা করতে পারবেননা নিজেকে। কেননা বিপক্ষ দল যে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ফখর জামান। ক্যাচ নিয়ে ধোনি-কোহলিরা যখন উইকেট পাওয়ার উদযাপন করছেন ঠিক তখনই আম্পায়ার সংকেত দেন এটি ‘নো বল’ ছিলো।
দ্বিতীয় জীবন পেয়ে ফখর জামান যেভাবে ব্যাটিং তান্ডব শুরু করছিলেন সেটা গিয়ে থামে ১১৪ রানের মাথায়। ফাইনাল ম্যাচে সকালে ওভালে টস জিতে ভারতীয় অধিনায়ক ভিরাট কোহলি ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তানকে। গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই টস ছিলো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।
তবে টসে হারার আফসোসটা মুহুর্তেই কাটিয়ে উঠে পাকিস্তান। পাকিস্তানি দুই ওপেনার আজহার আলী আর ফখর জামানের ব্যাটিং দৃঢ়তায় । ভারতীয় বোলার ভুবনেশ্বরের বলে খুব একটা সুবিধা করতে না পারলেও ফখর-আজহার মিলে চড়াও হন বুমরাহ আর অশ্বিনের উপর। ২২.৬ ওভারের সময় ভাঙ্গে এই জুটি। আজহার আউট হন ৭১ বলে ৫৯ রান করে।
আজহার আউট হলেও ফখর জামান তুলে নেয় ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে শতক। আউট হন ১১৪ রান করে ১০৬ বলের মাথায়। ফখরের ইনিংসে ছিলো ১২ টি বাউন্ডারি আর ৩টি ওভার বাউন্ডারি। মাঝে শোয়েব মালিকের ১২ রান ছাড়া সবাই কম বেশি অবদান রাখেন। মোহাম্মদ হাফিজ অপরাজিত থাকেন ৫৭ রানে। ইমাদ ওয়াসিম আরেক প্রান্তে অপরাজিত থাকেন ২৫ রানে।
৫০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৩৮ রান। এটি ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান পাকিস্তানের। ভুবনেশ্বর কুমার, বুমরাহ, কেদার যাদব একটি করে উইকেট পান।
সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডঃ
পাকিস্তানঃ ৩৩৮/৪ (৫০ ওভার) ফখর জামান ১১৪, আজহার আলি ৫৯, মোহাম্মদ হাফিজ ৫৭*, বাবর আজম ৪৬, ইমাদ ওয়াসিম ২৫*, শোয়েব মালিক ১২। কেদার যাদভ ১/২৭, ভুবনেশ্বর কুমার ১/৪৪, হার্ডিক পান্ডে ১/৫৩
