ওপেনিং জুটিতে ৭৫ রান, এরপর দুর্দান্ত ঢাকা ৯ উইকেট উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ১৩০ রান। দ্রুতই উইকেট তুলে নিয়ে নাটকীয়ভাবে ম্যাচে ফিরে এলো খুলনা টাইগার্স। কেবল ৪ ব্যাটার পৌঁছাতে পারেন দুই অংকের ঘরে। উদ্বোধনী জুটির দারুণ শুরুর পরও মিডল অর্ডারের চরম ব্যর্থতায় দুর্দান্ত ঢাকার ইনিংস থামল ১৩০ রানে।
ওপেনিংয়ে দারুণ জুটি বেধে দলকে বড় রান পাইয়ে দেওয়ার আভাস দিচ্ছিলেন মোহাম্মদ নাইম শেখ ও সাইম আইয়ুব। ৭৫ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর আসা-যাওয়াতে ব্যস্ত ছিলেন ঢাকার ব্যাটাররা। তবে এদিন ক্রিজে এসে স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট করছিলেন নাইম, রানও তুলছিলেন দ্রুত। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়েই ঢাকা পায় উড়ন্ত সূচনা, তবে নাইম ছন্দটা ধরে রাখতে ব্যর্থ হলে তার সাথেই পুরো দলের পতন। টসে জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নেন দুর্দান্ত ঢাকার অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। সাইম আইয়ুব আর মোহাম্মদ নাইমের ওপেনিং জুটিতে দাপট দেখায় ঢাকা। ৯ ওভারে যখন স্কোরবোর্ডে ৭৫ রান, আফিফ হোসেন খুলনাকে এনে দেন ব্রেকথ্রু। দ্রুত ফিফটির আশা জাগিয়েও নাইমকে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় ব্যক্তিগত ৪১ রানে।পরের ওভারে সাইম আইয়ুব উইকেট হারান দাসুন শানাকার বলে ক্যাচ তুলে। নাইম ২১ বলে ৪১ রান করলেও সাইমের ইনিংস ছিল ধীরগতির। ৩৭ বলের ইনিংসে ৩ ছয়, ১ চারে করেন ৩৫ রান। তিনে নামা গুলবেদিন নাইবের রানও ৩। এসএম মেহেরব অভিষেক রাঙাতে ব্যর্থ। তিনিও আউট হয়েছেন ৩ রানে।মোহাম্মদ নওয়াজ ইনিংসের ১৪তম ওভারে এসে করেন জোড়া শিকার। ইরফান শুক্কুরকেও ফিরতে হয় ৩ রানে। অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন ফিরলেন ডাক হয়ে। নওয়াজের তৃতীয় শিকার তাসকিন আহমেদ। উসমান কাদির প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন ১ রান করতেই।অ্যালেক্স রস অবশ্য অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন উইকেটের মিছিল। তিনিও শেষপর্যন্ত বিদায় নেন ১৪ বলে ২১ করে। ওয়াসিম জুনিয়রের আগের বলে ৬ হাঁকিয়ে পরের ডেলিভারিতে স্টাম্প উপড়ে যায় রসের। ৯ উইকেট হারিয়ে ঢাকার ইনিংস গুটিয়ে যাওয়া তখন কেবল সময়ের ব্যাপার ছিল।