বরিশাল ও তামিমের বিশ্বাস ছিল বলেই তাইজুল ভালো করছেন
বরিশাল ও তামিমের বিশ্বাস ছিল বলেই তাইজুল ভালো করছেন
বরিশাল ও তামিমের বিশ্বাস ছিল বলেই তাইজুল ভালো করছেন
সর্বশেষ ম্যাচটা খেলেছিলেন মিরপুরে, দুর্দান্ত ঢাকার বিপক্ষে। তাইজুল ইসলামের আবারও সুযোগ মিলল, যখন চট্টগ্রাম ঘুরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ম্যাচগুলো যখন ঢাকায় ভিড়েছে। আজ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে বল হাতে ৩ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট সংগ্রহ করেছেন। কুমিল্লাকে অল্পতে আটকে দেওয়ায় তাইজুলের ভূমিকা যে অনেকাংশেই ছিল অস্বীকার করার উপায় নেই।
ঢাকার বিপক্ষে সে ম্যাচে উইকেট আসেনি কোনো। তবে আজ সুযোগ পেয়ে কাজে লাগিয়েছেন তাইজুল। বিপিএলে নিয়মিত একাদশে সুযোগ মেলে না কম্বিনেশনের কারণে। তবে বরিশালের হয়ে খেলতে নেমে আজ প্রতিপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারদের উইকেট তুলেছেন তিনি। লিটন দাসের উইকেট দিয়ে শুরু, ১২ রানে ফেরা লিটন ইনিংস বড় করতে পারেননি। পরবর্তী ব্যাটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ক্ষেত্রেও পরিণতি একই তাইজুলের শিকার হয়ে মাত্র ১ রানে ফিরতে হয় তাঁকে। ভয়ংকর হওয়ার আগেই আন্দ্রে রাসেলের উইকেটটিও নিজের করে নেন তাইজুল, সরাসরি বোল্ডে। সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশের এই বাঁহাতি স্পিনার নিজ অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন,“ভালো কিছু করলে ভালো লাগে। একটা প্লেয়ার যখন ভালো কিছু করে তার ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক। যখন আপনি একটা প্লেয়ারকে ট্রাস্ট করবেন, তার ওপর বিশ্বাস রাখবেন, তখন ভালো করাটাই স্বাভাবিক। হয়তো বা এই জিনিসগুলার অনেক সময় অনেক ল্যাকিংস ছিল। একটা প্লেয়ারকে সাপোর্ট করাটা আসলে জরুরি।”তাইজুল সাধারণত সাদা পোশাকে বাংলাদেশের নিয়মিত ক্রিকেটার। তবে এখন সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও তাঁকে দেখা যায়। খুব নিয়মিত না হলেও। এখানে আলাদা কিছু আয়ত্ত্বের দরকার পড়ে কি না, এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন,
“নতুন কিছু আয়ত্ত্বের বিষয়টা না। এখানে হয়তোবা বলের কালারটা চেঞ্জ, শর্টার ফরম্যাটটা যখন খেলতে যাবেন তখন কিছু ভ্যারিয়েশন লাগে। পেস ভ্যারিয়েশনের মতো সিম্পল জিনিসগুলো এক্সিকিউট করাটা ইম্পর্ট্যান্ট। সঠিক সময় সঠিক জিনিসগুলো এক্সিকিউট করা জরুরি। মাশাল্লাহ ভালো হচ্ছে।”তিনি এটা বিশ্বাস করেন সবাই দেশের জন্য সব সংস্করণ খেলবে না। এটা মেনে নেওয়া উচিত বলেও মনে করেন। নিজ সময়টা এলে, ভালোভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা সবচেয়ে জরুরি মনে হয় তাইজুলের কাছে।
