কাটিং, হাওয়েলের ব্যাটে মান বাঁচল মাশরাফিদের

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 43 minutes ago
কাটিং, হাওয়েলের ব্যাটে মান বাঁচল মাশরাফিদের

কাটিং, হাওয়েলের ব্যাটে মান বাঁচল মাশরাফিদের

কাটিং, হাওয়েলের ব্যাটে মান বাঁচল মাশরাফিদের

ইনিংসের শুরুতে রংপুর রাইডার্সের আঁটোসাটো বোলিংয়ে থমকে যায় সিলেটের রানের চাকা। টপ অর্ডারের পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে দুই অংকের ঘর ছুঁয়েছেন কেবল শান্ত। ৩৯ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলা সিলেটকে এরপর পথ দেখান বেন কাটিং, বেনি হাওয়েল। এই দুইয়ের ব্যাটিং দৃঢ়তায় বাজে পরিস্থিতিতে পড়ার শঙ্কা তারা এড়িয়ে গেল। শতরান টপকে ১২০'তে গিয়ে থামে সিলেট স্ট্রাইকার্সের সংগ্রহ। 

স্কোরবোর্ডে ৩৯ রান তুলতেই নেই ৫ উইকেট। ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কা সিলেটের ড্রেসিং রুমে। ঠিক তখনই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন বেন কাটিং, বেনি হাওয়েল। সব শঙ্কা দূর করেন। দলকে যোগাড় করে দেন সম্মানজনক এক সংগ্রহের। রংপুরের সামনে ১২১ রানের লক্ষ্য।  টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে চরম বিপর্যয়ে পড়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স। পাওয়ার প্লেতে রান তোলার বদলে তারা হারিয়েছে একের পর এক উইকেট। ৬ ওভারে ৩৫ রান করতেই সিলেট হারায় ৩ উইকেট। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শেখ মেহেদীর স্পিনে পরাস্ত ওপেনার মোহাম্মদ মিঠুন। এগিয়ে এসে ফ্লিক করার চেষ্টায় ব্যর্থ মিঠুন, বলের লাইন মিস করে হয়েছেন স্ট্যাম্পড।  সবাইকে চমকে দিয়ে এদিন তিনে ব্যাট করতে আসেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনে মাশরাফি উইকেট বেশিক্ষণ কাটাতে পারেননি। দৌড়ে এক নিতে গিয়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউটের শিকার। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে মাশরাফি ৭ বলে করে যান ৬ রান। নতুন ব্যাটার ইয়াসির আলি এসেই দাপট দেখানোর চেষ্টা করেন। ব্যাক টু ব্যাক বাউন্ডারিতে ইনিংসের শুরু করা ইয়াসিরও দ্রুতই বিদায় নেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মেহেদী আসেন নিজের তৃতীয় ওভার শেষ করতে। প্রথম বলেই ইয়াসিরকে ক্যাচ বানান মোহাম্মদ নবীর হাতে। দারুণ শুরু করেও ইয়াসির আলি থামেন ৯ রানে। ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মাঝে একা দাঁড়িয়ে থাকেন ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। এর মাঝেই জাকির হাসানের পতন। আগের ম্যাচে তিনে নেমে জাকির খেলেন হার-না-মানা ৭০ রানের ইনিংস। আজ পাঁচে নেমে করেন কেবল এক রান। জাকিরকে দ্রুত ফেরাতে অবদান রাখেন রংপুরের আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী। ৩৯ রান ৫ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা সিলেট স্ট্রাইকার্স, তখনই ত্রানকর্তা হয়ে মিরপুরের গ্যালারি মাতান দুই বিদেশী বেন কাটিং ও বেনি হাওয়েল। আস্থার সঙ্গে ব্যাট করেন। বোলারদের জেঁকে বসতে না দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করেন তারা। তাদের ব্যাটে চড়েই দলের সংগ্রহ শতরান ছাড়িয়ে যায় সিলেটের। বাউন্ডারির চাহিদায় শেষপর্যন্ত ক্যাচ হয়ে ফিরতে হয় ৩১ রানে থাকা বেন কাটিংকে। আর তাতেই ভাঙে ৫৬ বলে সাজানো তাদের ৬৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।  শেষ ওভারে গিয়ে বেনি হাওয়েল বিদায় নেন রিপন মন্ডলের শিকার হয়ে। ৩৬ বলে তার ৪৩ রানের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ১ ছক্কায়। বাবর আজম ডিপ মিড উইকেট এরিয়া থেকে ডিরেক্ট থ্রোতে স্টাম্প ভেঙে সাজঘরে ফেরান ১ রানে থাকা রিচার্ড এনগারাভা। শেষপর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে সিলেটের ইনিংস থামে ১২০ রানে।