চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টাইগারদের নিয়ে আশাবাদী শুভেচ্ছা দূত হাবিবুল বাশার
97 Repoter: 97author
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টাইগারদের নিয়ে আশাবাদী শুভেচ্ছা দূত হাবিবুল বাশার
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টাইগারদের নিয়ে আশাবাদী শুভেচ্ছা দূত হাবিবুল বাশার
হাবিবুল বাশার সুমন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এর আগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন স্বয়ং অধিনায়ক হিসেবেই। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ২০০৬ সালের আসরে বাংলাদেশ শেষবার অংশগ্রহণ করেছিলো এই হাবিবুল বাশারের সুমনের নেতৃত্বেই। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য এবারের আসরেও থাকছেন বাংলাদেশ দলের এই নির্বাচক, শুভেচ্ছা দূত হিসেবে সাবেক বাংলাদেশী এই অধিনায়ককেই মনোনীত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইসিসি)।
জুনে শুরু হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ঠিক ৫০ দিন আগেই ঘোষণা করা হয়েছে শুভেচ্ছা দূতদের নাম। হাবিবুল বাশারের পাশাপাশি আট জনের তারকা ঠাসা এই দলে থাকছেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা, দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথ, নিউজিল্যান্ডের শেন বন্ড, ইংল্যান্ডের ইয়ান বেল, পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি, অস্ট্রেলিয়ার মাইক হাসি এবং ভারতের হরভজন সিং।
এরকম রথী-মহারথীদের দলে নিজের নামটা দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হাবিবুল বাশার ক্রিকেট৯৭ কে জানান, "আমি ভীষণ আনন্দিত এবং সম্মানিত এরকম একটি সুযোগ পেয়ে। আমার সাথে যারা আছেন তাঁরা একেকজন ক্রিকেটের আইকন। তাদের সাথে একসাথে কাজ করতে পারার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।"
আসরে বাংলাদেশ দলকে নিয়ে ভীষণ আশাবাদী মাশরাফি-সাকিবদের সাবেক এই দলপতি। "বাংলাদেশ ভীষণ উন্নতি করেছে। আমার মনে হয় বাংলাদেশ অনেক ভাল করবে। ভাল ক্রিকেট খেলার মধ্যে রয়েছে তারা, ভাল ফর্মে রয়েছে। আর ঠিক চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগেই আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট বেশ কাজে দিবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভাল কিছু করার পেছনে।"
বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিক ম্যাচে নেতৃত্ব দেয়া অধিনায়ক হাবিবুল বাশার স্মরণ করেছিলেন ২০০৬ সালের নিজেদের শেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশগ্রহণের কথা। এমনকি ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দুর্দান্ত সেই পারফরম্যান্সের পেছনে বাশার দাঁড় করাচ্ছেন ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অভিজ্ঞতাকেই।
"সেবার তো মোট তিনটি ম্যাচ খেলেছিলাম। একটিতে জয় এসেছিল, বাকী দুটোতে আসেনি। ফলে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়া হয়নি। তবে ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের ভাল ফলাফলের পেছনে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অভিজ্ঞতাটাই অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।"
শুভেচ্ছা দূতের কার্যক্রম হিসেবে বিভিন্ন ক্রিকেট প্রচারণামূলক কাজে তো বটেই আইসিসির ওয়েবসাইটে হাবিবুল বাশার সুমনের কলামও পড়তে পারবেন ক্রিকেটানুরাগীরা।
