বরিশালের কাছে পাত্তাই পেল না সাকিবদের ব্যাটিং লাইন

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
বরিশালের কাছে পাত্তাই পেল না সাকিবদের ব্যাটিং লাইন

বরিশালের কাছে পাত্তাই পেল না সাকিবদের ব্যাটিং লাইন

বরিশালের কাছে পাত্তাই পেল না সাকিবদের ব্যাটিং লাইন

বিপিএলে আজ রংপুর রাইডার্সের মুখোমুখি ফরচুন বরিশাল। এই ম্যাচকে শুধু রংপুর-বরিশালের লড়াই বললে ভুলই হবে, হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে আলোচনায় সাকিব-তামিমের লড়াই। ব্যাট হাতে সাকিব হয়েছেন বোল্ড, সেলিব্রেশনে মাতলেন তামিম। ইনিংসের শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানে থামে রংপুর। বল হাতে গতির ঝড় তুলে খালেদ আহমেদ শিকার করেন ৪ উইকেট। 

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে রংপুর রাইডার্স স্কোরবোর্ডে জমা করে ১৩৪। সর্বোচ্চ ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন শামীম পাটোয়ারি। বল হাতে দাপট দেখানো বরিশালের পেসার খালেদ আহমেদ মাত্র ৩১ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। খালেদের পেস আগুনেই এদিন পুড়ে ছাই রংপুরের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন।  ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। মিরপুরের নতুন উইকেটে আগে বল হাতে প্রথম পাঁচ ওভারের মাঝেই ফরচুন বরিশালের বোলাররা দখলে নেন রংপুর রাইডার্সের ৪ উইকেট। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে আজ মিরপুরে শুরুতেই সমর্থকদের উল্লাসে মাতান ফরচুন বরিশালের হয়ে খেলা পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ ইমরান। ইনিংসের প্রথম বলেই বোল্ড করেন ব্রেন্ডন কিংকে। ইয়র্কারে পরাস্ত হন কিং। পরের ওভারে এসে খালেদ আহমেদ বিদায় করেন আরেক ওপেনার রনি তালুকদারকে। স্কোরবোর্ডে ১৪ রান উঠতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চরম বিপাকে পড়ে রংপুর। খালেদ কেবল রনির উইকেট তুলেই ক্ষান্ত হননি, ওভারের শেষ বলে বিদায় করেন সাকিবকেও। গত ৬ নভেম্বর বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আজ মাঠে ফিরে হাসেনি সাকিবের ব্যাট। খালেদ আহমেদের দারুণ এক ডেলিভারিতে স্টাম্প ভাঙে দুই রানে সাকিবের। ১৫ রানে নেই রংপুরের তিন ব্যাটার। বরিশালের লঙ্কান স্পিনার দুনিথ ওয়েল্লালাগে বিপিএলে নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই শিকার করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের উইকেট। ব্যক্তিগত ৬ রানে থাকা ওমরজাইকে ফেরাতে ওয়েল্লালাগে নেন ফিরতি ক্যাচ। ৫ ওভার শেষে রংপুরের রান হয় ৩১, উইকেটের সংখ্যা দাঁড়ায় চারে।  এরপর অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান দলের হাল ধরেন শামীম হোসেন পাটোয়ারিকে নিয়ে। এই জুটিতে চড়ে স্বস্তি ফিরে পায় রাইডার্স শিবির। এই জুটিতে ৩০ বলে রংপুরের স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ৩৪ রান। শোয়েব মালিকের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট ছুঁয়ে দিয়ে মুশফিকের গ্লাভসে ক্যাচ হন সোহান। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে রংপুরের অধিনায়ক খেলেন ২৩ রানের ইনিংস।  একের পর এক উইকেট হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়া রংপুর বড় আশা করেছিল মোহাম্মদ নবীর ব্যাট থেকে। তবে বাকিদের ব্যর্থতার দিনে নবীও হাটলেন একই পথে। নবীর ১২ বলের ইনিংসে ছিল না কোনো বাউন্ডারি, এক-দুই নিয়ে করেছেন ১০ রান। মিরাজ আগের ওভারে নবীকে ফিরিয়ে নিজের পরের ওভার করতে এসে নেন থিতু হয়্ব যাওয়া শামীম পাটোয়ারির উইকেট। মিরাজকে শট খেলতে গিয়ে ইনসাইড এজ হয়ে হারান স্টাম্প। ব্যক্তিগত ৩৪ রানে শামীম ফিরলে ৯৭ রানে সপ্তম উইকেট হারায় রংপুর রাইডার্স।  এরপর শেখ মেহেদীর ক্যামিওতে শতরান ছাড়িয়ে যায় রংপুরের সংগ্রহ। তবে মেহেদী অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়তে পারেননি। ২০ ওভারের প্রথম দুই বলে মেহেদী ও হাসান মাহমুদকে ফেরান খালেদ। আর তাতেই তার ঝুলিতে যায় ৪র্থ উইকেট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রানের ইনিংস খেলা শেখ মেহেদী হাঁকান ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছয়।