উড়তে থাকা কুমিল্লাকে মাটিতে নামাল সিলেট

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
উড়তে থাকা কুমিল্লাকে মাটিতে নামাল সিলেট

উড়তে থাকা কুমিল্লাকে মাটিতে নামাল সিলেট

উড়তে থাকা কুমিল্লাকে মাটিতে নামাল সিলেট

টানা পাঁচ জয়ের পর অবশেষে হার দেখল সিলেট স্ট্রাইকার্স। এবারের বিপিএলে নিজেদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ করা সিলেটকে ম্যাচ বাঁচাতে ডেথ ওভারে ক্যারিশমা দেখান হাওয়েল, সাকিব। ১৭৮ রান টপকাতে নেমে অধিনায়ক লিটন দাস একাই করেন ৮৫ রান। আন্দ্রে রাসেল ছন্দে থেকেও ম্যাচ ফিনিশ করে আসতে পারেননি। পেসার তানজিম সাকিবের শেষ ওভারের দাপটে সিলেট পেল ১২ রানের রোমাঞ্চকর জয়।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে দরকার ছিল ৩৭ রান। বেনি হাওয়েল ১৯ তম ওভারের প্রথম ডেলিভারিতেই পেতে পারতেন ৮৪ রানে থাকা লিটন দাসের উইকেট। দৌড়ে এসে বল তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন তানজিম সাকিব, সিঙ্গেল নিলে স্ট্রাইক পান রাসেল। হাওয়েলের এই ওভারের বাকি পাঁচ বল খেলে আন্দ্রে রাসেল নেন ১১ রান। শেষ ওভারে কুমিল্লার দরকার ছিল ২৫ রান, ওভারের প্রথম ডেলিভারিতেই ৮৫ রানে থাকা লিটন দাসের স্টাম্প ভাঙেন তানজিম সাকিব। ওভারের শেষ বলে ফেরান আন্দ্রে রাসেলকে। জোড়া উইকেট নিয়ে মাত্র ১২ রান খরচ করেন সাকিব।  ১৭৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে স্কোরবোর্ডে আসে কেবল ৩৯ রান। এই রান করতেই কুমিল্লা হারিয়ে বসে ওপেনার ইমরুল কায়েস ও তাওহীদ হৃদয়কে। ৩ রানের বেশি করতে পারেননি অভিজ্ঞ ইমরুল। তিনে নামা তাওহীদ হৃদয় থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তবে এদিন ব্যতিক্রম ছিলেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। শুরুতে ধীরগতির হলেও সেট হয়ে স্ট্রোক্সের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন। ২৬ বলে ২২ রানে থাকা লিটন ৩৬ বলে ছুঁয়েছেন ৫০, যা এবারের বিপিএলে লিটন দাসের দ্বিতীয় ফিফটি। অর্থাৎ ফিফটি হাঁকাতে পরের ১০ বলে করেছেন ২৮ রান। ইনিংসের ১০তম ওভারে অ্যাকশনে আসা আরিফুল হক লিটনের সামনে খরচ করে যান ২২ রান।  ইনিংসের ১৫ তম ওভারের তৃতীয় বল, ১০ রানে থাকা জনসন চার্লসের সহজ ক্যাচ লুফে নিতে পারেননি ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা সানজামুল ইসলাম। নতুন জীবন পাওয়া চার্লস অবশ্য পরের ওভারেই নিয়েছেন বিদায়। শফিকুল ইসলামের বলে উইকেটকিপার মিঠুন গ্লাভসে জমান ক্যাচ। ১০ রানে জীবন পাওয়া চার্লস সাজঘরে যান আর কেবল দুই রান করতেই। মইন আলি পাঁচ বল মোকাবিলা করেও একটি রান করতে পারেননি।  এর আগে ২৫ বলে পঞ্চাশ হাঁকিয়ে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন বেনি হাওয়েল। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে জুটিতে ৪২ বলে আসে ৭৭ রান। আর তাতেই ৫ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১৭৭ রান জমা করে সিলেট স্ট্রাইকার্স।