সাকিবের ফর্মে ফেরার দিনে উড়ে গেল দুর্দান্ত ঢাকা

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
সাকিবের ফর্মে ফেরার দিনে উড়ে গেল দুর্দান্ত ঢাকা

সাকিবের ফর্মে ফেরার দিনে উড়ে গেল দুর্দান্ত ঢাকা

সাকিবের ফর্মে ফেরার দিনে উড়ে গেল দুর্দান্ত ঢাকা

সিলেট ঘুরে বিপিএল ফিরল ঢাকায়। সাকিবও ফিরলেন ছন্দে। ব্যাটিংয়ে ফর্মে ফেরা সাকিব দুর্দান্ত ঢাকার বিপক্ষে বল হাতেও ছিলেন দুর্দান্ত। ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ঢাকার ব্যাটারদের যেভাবে শুরু করার দরকার ছিল, হয়নি তার কিছুই। একের পর এক বোলার এসে ঢাকার ব্যাটারদের উপর চালিয়েছে শাসন। শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ওভারের আগেই দুর্দান্ত ঢাকার ইনিংস গুটিয়ে যায় ১১৫ রানে।

৬০ বড় জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করল রংপুর রাইডার্স। বিপরীতে দুর্দান্ত ঢাকা পেল পরাজয়ের ফাই-ফার পূর্ণ করার লজ্জার রেকর্ড। ব্যাট হাতে ২০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলা সাকিবের বোলিং ফিগারও ছিল চোখ ধাঁধানো, ৪-০-১৬-৩।  ১৭৬ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ইনিংসের শুরুটা খুব বাজেভাবে হয় দুর্দান্ত ঢাকার। বিপিএল অভিষেকের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পাওয়া সাব্বির হোসেন ব্যাট হাতে পুরোই বিবর্ণ। ৫ বল খেলে করেছেন কেবল ১ রান। রংপুরের স্পিন উইজার্ড শেখ মেহেদী নিজের প্রথম ওভার করতে এসে উইকেট পান কেবল ১ রান খরচায়। মেহেদী পরের ওভারে ছিলেন আরও দুর্দান্ত। এবার উইকেটের সাথে ওভার করেন মেডেন। তিনে নামা ঢাকার পাকিস্তানি ওপেনার সাইম আইয়ুব ৮ বল খেলে করেছেন ২। ৪ ওভারে ৪ রান করতেই দুর্দান্ত ঢাকা দুই উইকেট খুইয়ে চরম বিপাকে। তবে ঢাকাকে বিপর্যয় বুঝতে দেননি আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইম শেখ। পাওয়ার প্লের শেষ দুই ওভারে দেখিয়েছেন তাণ্ডব। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের করতে আসা ইনিংসের পঞ্চম ওভার থেকে নাইম চার-ছয়ের ফোয়ারা ছুটিয়ে নেন ১৬ রান। ৬ষ্ঠ ওভার করতে এসে মেহেদী দিয়ে যান ১২। ২-১-১-২ থেকে মেহেদীর বোলিং ফিগার গিয়ে দাঁড়ায় ৩-১-১৩-২'তে।  তবুও যেন স্বস্তি রংপুর রাইডার্সে। সাকিব আল হাসান ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে নিজের চিরচেনা ফর্মে। প্রথম ওভার করতে এসেই শিকার করেন ঢাকার ইংলিশ তারকা অ্যালেক্স রসকে। সাকিবকে বড় শট খেলার চেষ্টা করে ২ রানে থাকা রস ক্যাচ হন মোহাম্মদ নবীর হাতে ডিপ মিড উইকেটে। মোহাম্মদ নাইম শুরুটা ঝড়ের গতিতে করলেও শেষবেলায় হয়ে যান ধীরগতির।  তবে দুর্দান্তভাবে ইনিংস সেট করে পঞ্চাশে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হন নাইম শেখ। সালমান এরশাদকে অ্যাকশনে এনেই সাফল্য পেয়ে যায় রংপুর রাইডার্স। ৪৪ রানে থাকা মোহাম্মদ নাইম এজ হয়ে হারান উইকেট। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ৩১ বলে সমান ৩ চার ও ছক্কায় এই ইনিংস সাজিয়ে যান নাইম শেখ। তার বিদায়ের পর দ্রুত আরও তিন উইকেট হারায় ঢাকা। রংপুরের তারকা পেসার হাসান মাহমুদ নিজের প্রথম ওভারে এসেই পেয়ে যান জোড়া শিকার। ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে গুলবেদিন নাইবকে ফিরিয়ে পঞ্চম বলে নেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনের উইকেট। গুলবেদিন ব্যক্তিগত ১৩ রানে ফিরলেও মোসাদ্দেক ১ রানের বেশি করতে পারেননি।  পরের ওভারে সালমান এরশাদ এসে আবারও পেয়ে যান উইকেটের দেখা। সালমানের স্লোয়ার ডেলিভারিতে কাট শট খেলতে গিয়ে উইকেটকিপারের গ্লাভসে ধরা পড়েন চতুরঙ্গ ডি সিলভা (৮)।  ৭৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চরম বিপাকে পড়া ঢাকাকে এরপর কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেন তাসকিন আহমেদ। সাকিবের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ৮ বলে করেন দ্রুত ১৫ রান। পরের বলে শরিফুল ইসলামের উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন সাকিব। যা এসে রুখে দেন আরাফাত সানি। শেষপর্যন্ত ঢাকার ইনিংস গুটিয়ে যায় ১৮তম ওভারে। ২১ রানে থাকা ইরফান শুক্কুর রান আউটে কাঁটা পড়লে ১১৫ রানে থামে ঢাকার ইনিংস। রংপুর রাইডার্সের ঝুলিতে যায় আরও এক রোমাঞ্চকর জয়।