লিটনের ঝড়ো ইনিংসেও কুমিল্লার হল না বড় সংগ্রহ

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
লিটনের ঝড়ো ইনিংসেও কুমিল্লার হল না বড় সংগ্রহ

লিটনের ঝড়ো ইনিংসেও কুমিল্লার হল না বড় সংগ্রহ

লিটনের ঝড়ো ইনিংসেও কুমিল্লার হল না বড় সংগ্রহ

ব্যাট হাতে অবশেষে ফর্মে ফিরলেন লিটন দাস। তবে লিটন যেভাবে কুমিল্লার ইনিংসের উড়ন্ত সূচনা এনে দেন, শেষটা হয়েছে বিপরীত। দারুণ সব স্ট্রোক্সে লিটন তার চিরচেনা ফর্মে ফিরলেও প্যাভিলিয়নে গেছেন ৪ রানের আক্ষেপ নিয়ে। ইনিংস টানতে ব্যর্থ হন আগের রাতে উড়ে আসা উইল জ্যাকস। তবে জাকের আলি অনিকের অনবদ্য ফিনিশিংয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স পেল ১৪৯ রানের সংগ্রহ। 

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সংগ্রহ এদিন বড় না হলেও তারা স্বস্তি পেল লিটন দাসের রানে ফেরা দেখে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক হিসেবে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই পারফর্ম করার কথা ছিল লিটন দাসের। কিন্তু তার ব্যাট হাসল কুমিল্লার ৬ষ্ঠ ম্যাচে এসে। তবে টপ অর্ডারের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাঝে থমকে যায় রানের চাকা। শেষদিকে ক্যামিও ইনিংসে কুমিল্লাকে রক্ষা করেন জাকের আলি অনিক। ৮ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান। দেড়শ রানের টার্গেট দাঁড়াল খুলনা টাইগার্সের সামনে।  টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে রিজওয়ানকে নিয়ে নেমে যান অধিনায়ক লিটন দাস। মোহাম্মদ রিজওয়ান যথারীতি ধীরগতির হলেও লিটন ইনিংসের শুরু থেকেই ছিলেন স্বাচ্ছন্দ্যে। স্ট্রোক্সের ক্যারিশমা দেখিয়ে এবারের বিপিএলে নিজের প্রথম ফিফটির দিকেই ছুটছিলেন। লিটন-রিজওয়ান জুটির যখন ৬৯ রান, তখনই খুলনাকে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন নাসুম আহমেদ। দারুণ ডেলিভারিতে ভাঙেন ৪৬ রানে থাকা লিটন দাসের স্টাম্প। ফিফটির খুব কাছে গিয়েও ৪ রানের আক্ষেপে পুড়লেন লিটন। নাসুম কেবল লিটনের উইকেট নিয়েই খুশি হতে পারেননি, ওভারের শেষ বলে রিজওয়ানকে ফেলেন লেগ বিফোরের ফাঁদে। আম্পায়ার প্রথমে উইকেটের সিদ্ধান্ত না দিলেও রিভিউ চ্যালেঞ্জে উইকেট নিশ্চিত করে খুলনা টাইগার্স। ২৮ বল খেলা ওপেনার রিজওয়ান প্যাভিলিয়নে যান নামের পাশে কেবল ২১ নিয়ে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের এই পাক তারকার ইনিংসে দেখা যায়নি কোনো টি-টোয়েন্টির মেজাজ। আগের পাঁচ ম্যাচ মিলিয়ে ৩৭ রান করা লিটন দাস আজ খেললেন ৪৬ রানের ইনিংস। গতরাতে বাংলাদেশে আসা উইল জ্যাকস আজ খেলতে নেমে গেলেন ম্যাচ। তবে ২২ রানের বেশি করতে পারেননি এই ইংলিশ অলরাউন্ডার। ওয়াসিম জুনিয়রের বলে সুইপার কাভার অঞ্চলে দাঁড়িয়ে ক্যাচ লুফে নেন নাহিদুল। ফাহিম আশরাফ নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে তুলে নেন জোড়া উইকেট। ওভারের প্রথম ডেলিভারিতে দৌড়ে এক নিতে গিয়ে রান আউটে কাটা পড়েন খুশদিল শাহ। সাজঘরে ফেরার আগে ৩ বলে ৪ রান আসে খুশদিলের ব্যাট থেকে। তাওহীদ হৃদয় থিতু হয়েও ইনিংস ফিনিশ করে আসতে পারলেন না। ১৭ বলে ১৬ করে তাওহীদ হৃদয়ের বিদায়। ১১৮ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলা কুমিল্লাকে এরপর স্বস্তি এনে দেন জাকের আলি অনিক ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। শেষপর্যন্ত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৭ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে জমা করে ১৪৯ রান।