খুলনাকে চাপে রেখে প্লে-অফ নিশ্চিত করল চট্টগ্রাম

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
খুলনাকে চাপে রেখে প্লে-অফ নিশ্চিত করল চট্টগ্রাম

খুলনাকে চাপে রেখে প্লে-অফ নিশ্চিত করল চট্টগ্রাম

খুলনাকে চাপে রেখে প্লে-অফ নিশ্চিত করল চট্টগ্রাম

রংপুর রাইডার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পর তৃতীয় দল হিসাবে ২০২৪ বিপিলের প্লে অফ নিশ্চিত করল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। তানজিদ তামিমের ১১৬ রানের রেকর্ড ইনিংসে চট্টগ্রাম স্কোরবোর্ডে পায় ১৯২ রান। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় খুলনা, কেবল তিন জন ব্যাটার ছুঁয়েছেন দুই অংকের ঘর। শেষ পর্যন্ত খুলনা টাইগার্সের পরাজয় ৬৫ রানের। এর ফলে সুপার ফোরের রেস থেকে অনেকটাই দূরে সরে গেল এনামুল হক বিজয়ের দল। 

১৯৩ রানের পাহারসম লক্ষ্য টপকাতে নেমে ১২৭ রানের বেশি করতে পারেননি বিজয়-আফিফরা। কেবল ৩ ব্যাটার পৌঁছাতে পারেন দুই অংকের ঘরে। ৬৫ রানের বড় জয়ে টেবিলের তিনে ওঠে লিগ পর্ব শেষ করল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ঘরের মাঠে নিজেদের শেষ ম্যাচ তারা রাঙালো রোমাঞ্চকর এক জয়ে।  আগে ব্যাট করে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় চ্যালেঞ্জার্সরা। তবে তানজিদ হাসান তামিম একা হাতে চালান লড়াই, স্ট্রোক্সের ফোয়ারায় ধ্বংসস্তূপ বানিয়ে দেন খুলনার বোলিং ইউনিটকে। আগের ম্যাচে ৭০, আজ তানজিদ তামিমের ব্যাটে ১১৬ রানের অতিমানবীয় ইনিংস। ৮ চারের সঙ্গে ছক্কাও মারেন ৮টা। এবারের বিপিএলে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস খেলার পথে দখলে নিয়েছেন রান সংগ্রাহকদের শীর্ষস্থানও।  ২০২৪ বিপিএলে তিন নম্বর সেঞ্চুরি করে চট্টগ্রাম পর্ব রাঙিয়ে দিলেন ঘরের দলের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তাওহীদ হৃদয়ের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসাবে ছুঁয়েছেন শতকের মাইলফলক। ৩২ বলে পঞ্চাশ রান পাওয়া তামিম সেঞ্চুরি করতে খরচ করেছেন কেবল ২৬ বল। রেকর্ড সেঞ্চুরির পথে তামিম দখল করেছেন রান সংগ্রাহকদের শীর্ষস্থানও, ১১ ইনিংস খেলা তামিমের নামের পাশে এখন ৩৮২ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট খুইয়ে ১৯২ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ইনিংসের শুরুতেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনকে হারায় খুলনা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে দলের সংগ্রহ যখন ১৩, বিলাল খানের বলে এজে সহজ ক্যাচ হন ৬ রানে থাকা ইমন। এরপর শাই হোপকে নিয়ে পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষ করেন বিজয় স্কোরবোর্ডে ৪৭ রান জমা করে। অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় থিতু হয়ে গেলেও দলকে টেনে নিয়ে যেতে পারেননি বেশিদূর। ব্যক্তিগত ৩৫ রানে বিজয় উইকেট হারানোর আগে তিনে নামা শাই হোপের সঙ্গে গড়েন ৫৪ রানের জুটি।   ইনিংসের ৯ তম ওভারে শহিদুল ইসলাম নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে সাজঘরের পথ দেখান ছন্দে থাকা বিজয়কে। ওভারের পঞ্চম বলে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউটের শিকার হন এভিন লুইস (৬)। সেট ব্যাটার শাই হোপও পরের ওভারে নিয়েছেন বিদায়। তাকে ফিরিয়ে দলকে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন অধিনায়ক শুভাগত হোম। ৩ ছক্কা ও ১ চারে ২১ বলে ৩১ রান করেন হোপ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে খুলনা।  শুভাগত হোম এরপর যেন হয়ে ওঠেন আরও জাদুকরী। নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে শিকার করেন ৭ রানে থাকা মাহমুদুল হাসান জয়কে। কোটা শেষ করতে এসে দখলে নেন আফিফ হোসেন ধ্রুবর উইকেট। ৪৩ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে খুলনার আগের ম্যাচের জয়ের অন্যতম নায়ক আফিফ আজ ফিরেছেন কেবল ৬ রানে। ৪-০-২৫-৩ বোলিং ফিগারে শুভাগত হোম দলকে প্রায় পৌঁছে দিয়ে যান জয়ের বন্দরে। এরপর বাকি কাজটা করেন নিহাদুজ্জামান, বিলাল খান ও রোমারিও শেফার্ড। ২০২৪ বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা জেসন হোল্ডার ১৮ রানের বেশি করতে পারেননি। ওয়াইন পারনেল ফিরে গেছেন দ্রুতই।