হাওয়েল ও মিঠুনের জুটিতে আশা বুনেছে সিলেট

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
হাওয়েল ও মিঠুনের জুটিতে আশা বুনেছে সিলেট

হাওয়েল ও মিঠুনের জুটিতে আশা বুনেছে সিলেট

হাওয়েল ও মিঠুনের জুটিতে আশা বুনেছে সিলেট

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুটা মন্দ করেনি সিলেট স্ট্রাইকার্স। সেই শুরু মাঝে এসে কিছুটা ঢিলে হলেও, শেষটা আবারও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। বেনি হাওয়েল ও মোহাম্মদ মিঠুনের জুটিতে আশা বুনেছে সিলেট। হাওয়েলের ব্যাট চলেছে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত। ফলে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রানের সংগ্রহ তোলে সিলেট স্ট্রাইকার্স। জাকির হাসান ও কেনার লুইস সিলেটের হয়ে ওপেন করতে নামেন। জাকির ও লুইস মিলে পাওয়ারপ্লে ব্যবহারের সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করেছেন। যা নিয়ে এর আগের ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আফসোস ছিল অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের। উইকেটশূন্য থাকা হয়নি অবশ্য প্রথম ৬ ওভারে। দলীয় ৪০ রানের মাথায় সুনিল নারিনের ডেলিভারিতে জাকির ফিরে যান ১৮ (১৭) রান করে। লুইসের ব্যাট চলছিল। টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম ম্যাচ হিসেবে ভালো খেলছিলেন, তবে মুশফিক হাসানের শিকার হয়ে ৩৩ (২৫) রানেই সন্তুষ্ট হতে হয়েছে তাঁকে। নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট আজও হাসেনি। রিশাদ হোসেনের লেগ স্পিনের শিকার হয়ে একই ওভারে শান্ত ও ইয়াসির আলি ফিরলে বেশ বিপদে পড়ে সিলেট। যা দুই ওপেনারের রান তোলার মাত্রাকে অনেকখানি কমিয়ে দেয়। সিলেটের দলীয় সংগ্রহ তখন ৪ উইকেট হারিয়ে ৭৪ রান। এরপর অধিনায়ক মিঠুনের সাথে বেনি হাওয়েল মিলে সিলেটের পক্ষে হাল ধরেন। দুজনের ৪২ বলে ৭৭ রানের ইনিংসে আশা দেখে দলটি। জুটি গড়ে তোলার কালে ১৭তম ওভারে রিশাদ হাসানের ৩ ডেলিভারিতে মিঠুন ২ টি এবং হাওয়েল ১ টি ছক্কা হাঁকান। পরের ওভারে অবশ্য নারিনের শিকার হয়ে ফিরতে হয় মিঠুনকে। এক চার ও দুই ছক্কায় ২৮ (২০) রান করে ফিরেছেন সিলেট অধিনায়ক। হাওয়েল শেষপর্যন্ত ক্রিজে ছিলেন। ৩১ বলে ৬২ রান করেছেন, যেখানে ৬ টি চার ও ৪ টি ছক্কার মার ছিল। সাথে আরিফুল হক ৫ বলে ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পক্ষে সুনিল নারিন ও রিশাদ হোসেন ২ টি করে উইকেট নিয়েছেন। মুশফিক হাসান ১ টি উইকেট পেয়েছেন।