এলিমিনেটরে চ্যালেঞ্জার্সদের অল্পতেই আটকে দিল তামিমের দল

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
এলিমিনেটরে চ্যালেঞ্জার্সদের অল্পতেই আটকে দিল তামিমের দল

এলিমিনেটরে চ্যালেঞ্জার্সদের অল্পতেই আটকে দিল তামিমের দল

এলিমিনেটরে চ্যালেঞ্জার্সদের অল্পতেই আটকে দিল তামিমের দল

এলিমিনেটর ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের সংগ্রহটা হল না বড়। ওপেনার তানজিদ তামিম ফিরেছেন দ্রুত, তিনে নামা ইমরানুজ্জামান করেছেন ৭। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন জশ ব্রাউন, তার ব্যাটেই সর্বোচ্চ ৩৪ রান। ধুঁকতে থাকা চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে জমা করে ১৩৫ রান। 

মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে শুরু প্লে-অফের জমজমাট লড়াই। আজও টস ভাগ্য আসে তামিম ইকবালের পক্ষে। টসে জেতা ফরচুন বরিশাল আগে নামে বোলিংয়ে। পাওয়ার প্লেতেই চাপে ফেলে দেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে। দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন ছন্দে থাকা তানজিদ হাসান তামিম। মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের বলে সহজ ক্যাচ নেন উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম। ৩ বলে ২ রানে আউট আসে তামিমের ব্যাটার থেকে। পঞ্চম ওভারের শেষ ডেলিভারিতে ওবেদ ম্যাককয়ের ইয়ার্কার লেন্থের বল তুলে খেলতে গিয়ে মিড-অফে ক্যাচ তুলে দেন জশ ব্রাউন। সহজ ক্যাচটা হাতে জমা করতে ব্যর্থ হন তামিম ইকবাল। তখন ব্রাউনের রান ছিল ২০। পরের বলেই সাফল্য পান ম্যাককয়। কাভারে কাইল মায়ের্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইমরানুজ্জামান। শুরু থেকে নড়বড়ে এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ১৩ বলে করেছেন ৭ রান। নতুন জীবন পেয়ে বিধ্বংসী হয়ে উঠছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্রাউন। তবে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ম্যাককয়ের করা পরের ওভারেই পয়েন্টে ডেভিড মিলারকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ব্রাউন। ৩ ছক্কা ও ২ চারে ২২ বলে ৩৪ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। দারুণ শুরু পাওয়া টম ব্রুসও ইনিংস বড় করতে পারেননি এদিন। ১০ম ওভারের শুরুতেই মায়ার্সের বল ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট থার্ডে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে জমা পড়েন ১৭ রানে থাকা ব্রুস। তাইজুল ইসলামের প্রথম শিকার ১৪ বলে ১১ করা সৈকত আলি। কোটার প্রথম ৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকা তাইজুল শেষ ওভারে পেয়েছেন কাঙ্খিত সাফল্য। দলীয় ৮৪ রানে পাঁচ উইকেট হারানো চট্টগ্রামের বিপদ আরও বাড়ে অধিনায়কের বিদায়ে। শুভাগত হোম দারুণ ফিনিশিংয়ের ইঙ্গিত দিয়েও দলকে টানতে পারেননি বেশিক্ষণ। কায়েল মায়ের্স শেষ ওভার করতে এসে দখলে নেন নিজের দ্বিতীয় শিকার। শুভাগতর ১৬ বলের ইনিংসে ৪ বাউন্ডারিতে আসে ২৪ রান। রোমারিও শেফার্ড ১১ রানের বেশি করতে পারেননি। ইনিংসের শেষ ওভার করতে এসে প্রথম ডেলিভারিতেই ১০ রানে ব্যাট করা নিহাদুজ্জামানকে ফেরান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। পরের বলে রান আউটের শিকার হন আল-আমিন হোসেন। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম স্কোরবোর্ডে জমা করে ১৩৫ রান।