একজন ওপেনার তাইজুলের গল্প
97 Repoter: 97author
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
একজন ওপেনার তাইজুলের গল্প
একজন ওপেনার তাইজুলের গল্প
মোহাম্মদ রফিক পেস বোলার হিসেবে ক্রিকেট শুরু করলেও, হয়ে যান দেশসেরা স্পিনারই। রুবেল হোসেনও নাকি এক সময় ওপেন করতেন। আর মাশরাফির তুখোড় ব্যাটিং তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই দেখে আসছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা। আর চলমান আইপিএলে কলকাতার সুনীল নারাইন স্পিন বিভাগের সাথে ব্যাট হাতে ওপেনিংটাও টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। আজ এতসব উদাহরণ টেনে আনার একটাই কারণ, তাইজুল ইসলাম।
গত ১১ মে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচে খেলেছেন ৫১ বলে ৫৭ রানের ইনিংস। পারটেক্সের বিপক্ষে তাইজুলের খেলা এই ইনিংসই নিশ্চিত পরাজয় থেকে বাঁচিয়ে দেয় তার দল মোহামেডানকে। শুধু ওইদিনই নয়, টুকটাক অবদান বিভিন্ন সময়েই ব্যাট হাতে রেখেছেন তিনি। কিন্তু পুরোদস্তুর এই তাইজুল অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ক্রিকেট শুরু করেন ওপেনার ব্যাটসম্যান আর স্পিনার হিসেবে। ব্যাট-বল দুটোই একই গতিতে সামলাচ্ছিলেন। বলা যায় নিখাদ অলরাউন্ডারই ছিলেন। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৮ খেলার সময়ই তার ব্যাটিংয়ের ছন্দপতন ঘটে, অন্যদিকে বোলিং হয়ে যায় অসাধারণ। যার ফলশ্রুতিতে পরের বছর অনূর্ধ্ব-১৯ দলে পুরোদস্তুর বোলার হিসেবেই সুযোগ হয়। আর সেই থেকেই বদলে যান তাইজুল। হয়ে যান দলের গুরুত্বপূর্ণ স্পিন বোলার। ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে বিদায় জানান প্রিয় ব্যাটিং কে, ‘ভাবলাম দুই দিকে মন দিলে কোনোটাই হবে না। আমাকে যে কোনো একদিকে থাকতে হবে। তখন আমি বোলিংয়ের দিকে মনোযোগ দেই। ফলে ব্যাটিংয়ে আস্তে আস্তে মরিচা পড়তে থাকে।’
১০ বছর আগের বিদায় জানানো ব্যাটিংয়ে মরচে ধরেনি বুঝাই যাচ্ছে, একটু যত্ন করলেই দলে কিছুটা অবদান রাখতেই পারেন। তিনি নিজেও কৃতজ্ঞতা জানালেন ঢাকা লীগের তার মোহামেডান কোচকে, 'কোচ আমাকে এখন নিয়মিতই নেটে ব্যাটিং অনুশীলন করতে বলেন। তাই হয়তো এভাবে পেরেছি।’
দলে যদি আপনাকে এখন ওপেনার হিসেবে খেলানোর কথা বলা হয়, কি মনে হয় পারবেন? এমন প্রশ্নেও তাইজুল দিয়েছেন বাস্তবিক উত্তরই, এই মুহূর্তে মনে হয় না এটা আমি পারবো। আজ থেকে এক বছর পর হলে আমি হয়তো এখানে সফল হব। কারণ মানুষের জীবনে হঠাৎ করেই পরিবর্তন আসে। তাই আজ থেকে ১ বছর পর আমি ভালো কিছু আশা করছি। তবে এটুক নিশ্চিত করলেন সুনীল নারাইনের ব্যাটিংয়ে তিনি খুঁজে পাচ্ছেন অনুপ্রেরণা, সময় নিয়ে তিনিও হতে চান পুরোদস্তুর অলরাউন্ডার।
