দুই বিদেশির দৃঢ়তায় সিলেটের রোমাঞ্চকর জয়

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 8 minutes ago
দুই বিদেশির দৃঢ়তায় সিলেটের রোমাঞ্চকর জয়

দুই বিদেশির দৃঢ়তায় সিলেটের রোমাঞ্চকর জয়

দুই বিদেশির দৃঢ়তায় সিলেটের রোমাঞ্চকর জয়

ম্যাচ জিততে ১২০ বলে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে করতে হত ১২৫ রান। শরিফুল ইসলাম পাওয়ার প্লেতে যেন আনপ্লেয়েবল। সিলেটের হারানো প্রথম তিন উইকেটের তিনটিই যায় শরিফুলের পকেটে। প্রথম দশ ওভারে ধুঁকতে থাকা সিলেট শেষদিকে ঘুরে দাঁড়ায় দারুণভাবে। রায়ান বার্ল আর বেনি হাওয়েলের ব্যাটে চড়ে ৫ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় পেল সিলেট। 

১২৫ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে এক শরিফুলের পেস আগুনেই পুড়ে ছাই সিলেটের টপ অর্ডার। প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে ৩ ওভারেই শরিফুল পেয়েছেন উইকেটের দেখা। ইনিংসের প্রথম ওভারে প্যাভিলিয়নে পাঠান সামিত প্যাটেলকে, তৃতীয় ওভারে এসে বিদায় করেন হ্যারি টেক্টরকে। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে শিকার করেন জাকির হাসানকে। ডাক হওয়া সামিত প্যাটেল শরিফুলের বলে উইকেট হারান লেগ বিফোরে। পরের দুই উইকেট নেন উইকেটকিপারের গ্লাভসে ক্যাচ বানিয়ে। টেক্টর ও জাকির সমান ৮ রান করেন ৩ উইকেট হারিয়ে ফেললেও সিলেট স্ট্রাইকার্স পাওয়ার প্লেতে স্কোরবোর্ডে জমা করে ৪২ রান। চার ওভারের স্পেল শেষ করে শরিফুলের বোলিং ফিগার গিয়ে দাঁড়ায়   ৪-০-২৭-৩। তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত একা দাঁড়িয়েই লড়াই চালান। থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। উসমান কাদির অ্যাকশনে আসতেই ১৭ রানে থাকা মিঠুনকে বানান ক্যাচ। টিকে যাওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত এরপর সঙ্গী হিসাবে পান বেনি হাওয়েলকে। তবে শান্ত ভুলভাবে শট সিলেকশন করে খুইয়েছেন উইকেট। ৬ বাউন্ডারিতে ৩৩ রানে থাকা শান্ত উসমান কাদিরের বলে তার হাতেই তুলেন ফিরতি ক্যাচ। এরপর রায়ান বার্লকে নিয়ে বিপর্যয় সামলানোর চেষ্টা করেন বেনি হাওয়েল। এই দুইয়ের ব্যাটেই জয় নিশ্চিত হয় সিলেটের।  এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই নেই দুর্দান্ত ঢাকার উইকেট, নাইম শেখ আর সাইফ হাসান মিলে দারুণভাবে সামলান ধাক্কা। চার-ছয়ের বন্যা বইয়ে দেওয়া এই জুটিতে ৫৭ বলে আসে ৭৮ রান। এরপর সেই পুরানো ব্যাটিং ব্যর্থতা। প্রথম ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৮২ রান করা দুর্দান্ত ঢাকা শেষ ১০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ৪২ রান। বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিয়েও ঢাকার ইনিংস শেষ পর্যন্ত থামে ১২৪ রানে।