দিপু, নাজিবউল্লাহর ব্যাটিং ঝড়ের রাতে হার দেখল সিলেট

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 16 minutes ago
দিপু, নাজিবউল্লাহর ব্যাটিং ঝড়ের রাতে হার দেখল সিলেট

দিপু, নাজিবউল্লাহর ব্যাটিং ঝড়ের রাতে হার দেখল সিলেট

দিপু, নাজিবউল্লাহর ব্যাটিং ঝড়ের রাতে হার দেখল সিলেট

জাকির, মিঠুনদের দারুণ ব্যাটিংয়ে স্কোরবোর্ডে ১৭৭ জমা করে সিলেট স্ট্রাইকার্স। সবাইকে চমকে দিয়ে এদিন ম্যাচ খেলতে নামা মাশরাফি নিজের প্রথম বলেই দেখা পান উইকেটের। মাশরাফির প্রত্যাবর্তন হাসিমুখে কাটাতে পারল না তার দল। একবার, দু'বার না টানা ৩ বার জীবন পেয়ে ম্যাচই জিতিয়ে আসলেন নাজিবউল্লাহ জাদরান। ক্রিকেটে একটা কথা প্রচলিত আছে, ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস। সেটাই ঘটলো সিলেটের বেলায়। একের পর এক ক্যাচ মিস, সঙ্গে মিস ফিল্ডিং। আর তাতেই পরাজয় বরণ করে নিল আগের আসরের রানার্স আপ সিলেট। 

বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই শাহাদাত হোসেন দিপুর বাজিমাত। ৩৯ বলে খেললেন ৫৭ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। তাকে সঙ্গ দেওয়া নাজিবউল্লাহ জাদরানের ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ৬১ রান। এই দুইয়ের খেলা ১২১ রানের হার-না-মানা জুটিতেই চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স পায় ৭ উইকেটের বড় জয়। মাশরাফির ১৯ তম ওভারের প্রথম ৩ বলে ১৬ রান নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন নাজিবউল্লাহ।   এর আগে সিলেটের ইনিংসে তিনে নামা জাকির হোসেন শেষপর্যন্ত উইকেটে কাটিয়ে যান দাপট দেখিয়ে, খেলেছেন দারুণ সব স্ট্রোক্স। ৩১ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে। টি-টোয়েন্টিতে জাকির হাসানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। ১৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বেশ দেখে-শুনেই ইনিংসের সূচনা করেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও আবিষ্কা ফার্নান্দো। কিন্তু বেশিক্ষণ এভাবে উইকেটে থাকতে পারেননি তানজিদ। রিচার্ড এনগারাভা অ্যাকশনে আসতেই বাউন্সারে পরাস্ত তামিম, ফেরার আগে ৫ বলে করেন কেবল ২। জাকির দ্রুত ফিরে গেলেও আরেক ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্দো ছিলেন নিজের চেনা ছন্দে। চার-ছয়ের ফোয়ারা ছুটিয়ে সিলেটের বোলারদের রাখেন চাপে। প্রথম পাওয়ার প্লে শেষে অ্যাকশনে এসেই নাজমুল ইসলাম অপু সিলেটকে এনে দেন ব্রেকথ্রু। ২৩ বলে ৩৯ রানে থাকা আভিষ্কা সাজঘরে ফেরত যান বোল্ড হয়ে। দলীয় ৫৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় চট্টগ্রাম।  হাঁটুর ব্যথায় ভুগতে থাকা মাশরাফি এবারের বিপিএল খেলতে পারবেন কিনা সেটা নিয়ে ছিল শঙ্কা। কিন্তু সব শঙ্কা উড়িয়ে তিনি প্রথম ম্যাচ থেকেই আছেন সিলেট দলে। দিচ্ছেন নেতৃত্বও। বল হাতে নিয়ে প্রথম ডেলিভারিতেই পান সাফল্য। তিনে নামা চট্টগ্রামের উইকেটকিপার ব্যাটার ইমরানউজ্জামানকে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান প্যাভিলিয়নে।  ব্যক্তিগত ১৮ রানে থাকা নাজিবউল্লাহ বেন কাটিংয়ের বলে তুলেছিলেন ক্যাচ। তবে দৌড়ে এসে বল তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন তানজিম সাকিব। নতুন জীবন পাওয়া নাজিবউল্লাহ পরেই বলেই হাঁকান বাউন্ডারি। নাজিবউল্লাহ আরও এক জীবন পান ব্যক্তিগত ২৫ রানের সময়। এবার তানজিম সাকিবের বলে ক্যাচ ছাড়েন শান্ত। নাজিবউল্লাহ যখন ৩২ রানে, শর্ট থার্ড ম্যানে ক্যাচ ছাড়লেন রিচার্ড এনগারাভা।  ক‌্যাচ মিস করলে ম‌্যাচ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার ঘটনা অসংখ‌্য আছে। চট্টগ্রামের বিপক্ষে ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নাজিবউল্লাহ জাদরানের তিনটি ক্যাচ ফেলে সিলেটের ফিল্ডাররা। ম্যাচ কঠিন হয়ে পড়ে, জাদরানের ব্যাটে চড়েই শেষ হাসি হাসে চট্টগ্রাম। ২৮ বলে ফিফটি হাঁকান নাজিবউল্লাহ জাদরান। এর আগে শাহাদাত দিপু ফিফটি ছুঁয়েছেন ৩৫ বলে।