হারের দায় বোলারদের দিলেন মিরাজ, নিজের ব্যাটিংয়ের সময় ভেবেছিলেন 'জিতব'

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
হারের দায় বোলারদের দিলেন মিরাজ, নিজের ব্যাটিংয়ের সময় ভেবেছিলেন 'জিতব'

হারের দায় বোলারদের দিলেন মিরাজ, নিজের ব্যাটিংয়ের সময় ভেবেছিলেন 'জিতব'

হারের দায় বোলারদের দিলেন মিরাজ, নিজের ব্যাটিংয়ের সময় ভেবেছিলেন 'জিতব'

ঢাকা থেকে বিপিএল সিলেটে ফিরলেও ভাগ্যের চাকা ঘুরে নিজেদের হয়ে ফিরে আসেনি তামিম ইকবালদের। ফরচুন বরিশাল হেরেছে টানা তিন ম্যাচে। হ্যাটট্রিক হারের ফলে সুপার ফোরে যাওয়া নিয়ে শঙ্কায় বরিশাল। ১৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে চট্টগ্রামের বিপক্ষে তাদের পরাজয় ১০ রানে। হারের কারণ বলতে গিয়ে মিরাজ দায় চাপালেন বোলারদের ওপর। বরিশাল হ্যাটট্রিক হার কেবল বোলারদের জন্যেই হয়েছে। কুর্টিস ক্যাম্ফারের দুই ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় মিরাজদের হাত থেকে। 

মুশফিকের সাথে জুটির সময় মিরাজ মনে করছিলেন তারা ম্যাচে আছে। কিন্তু মিরাজের বিদায়ের পর মুশফিকও প্যাভিলিয়নে ফেরত যান দ্রুত। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে মিরাজ জানালেন, এমন বড় টার্গেটে জিততে হলে প্রথম ৬ ওভার যেভাবে ব্যাট করেছে দুই ওপেনার পুরো ইনিংস জুড়েই এভাবে খেলা দরকার ছিল।

'আমি আর মুশফিক ভাই যখন ব্যাটিং করছিলাম তখনও মনে করছিলাম আমরা ম্যাচ জিতব। তখন পর্যন্ত (আশাবাদী) ছিলাম। আমাদের ভুল ছিল। এজন্য হয়নি। উইকেট ভালো ছিল। শেষ ৫ ওভার ওরকম ভালো বোলিং করিনি। ওরা অনেক রান করে ফেলেছে। আমরা একটু বেশি রান দিয়ে ফেলেছি।'
মিরাজ ম্যাচ হারের দায় বোলারদের কাঁধেই দিলেন। বরিশালের ধারাবাহিক হারের পেছনে বোলারদের দুষছেন। মিরাজের মতে, ব্যাটাররা তাদের কাজ ঠিকঠাকমতোই করেছে। 
'আসলে পাওয়ার হিটিংয়ের জন্য যে আমরা হেরে যাচ্ছি এমন না। যে জিনিসটা এক্সিকিউট করতে পারছি না সেটা হলো বোলাররা। ব্যাটাররা কিন্তু ওই রকম ভাবে খারাপ খেলছে না। মুশফিক ভাই দুটো ফিফটি করেছে, উপরের দিকে সৌম্য ছোট ছোট কন্ট্রিবিউট করেছে, তামিম ভাই ভালো করছে। টি-টোয়েন্টি খেলায় বোলাররা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শেষ ৫ ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ। যে ম্যাচগুলো আমরা হেরেছি রান দিয়ে হেরেছি, ব্যাটারদের জন্য হারিনি। টি-টোয়েন্টি খেলায় এমন কিছু সময় আসে যে বোলার শেষদিকে কতটুকু এক্সিকিউট করতে পারে, কারণ শেষের দিকে তো বিপক্ষ ব্যাটাররা প্রতি বলেই মারতে চাইবে। হয়ত আমাদের বোলারদের এই অংশতে এক্সিকিউট করতে পারছি না সেভাবে।'

কুর্টিস ক্যাম্ফারের দুই ওভারেই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে যায়। ওই দুই ওভারে ৪ উইকেট হারানোর সঙ্গে রান রেটেও পিছিয়ে যায় বরিশাল। ‘ওরা (চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স) মাঝখানে দুটা ওভার ভালো বোলিং করেছে। ওখানে আমাদের চার উইকেটে চলে গেছে। উইকেটও পড়েছে আমাদের রান-রেটও বেড়েছে। একটা সময়ে আমাদের ১৪ করে রান লাগতেছিল। ওটা যদি ১০/১১ বা কাছাকাছি থাকতো, তাহলে হয়তো আমাদের জন্য সহজ হত। আমরা ১০ রানে হেরেছি, একটা ওভার বেশি রান হতেই পারে। উইকেটটা ভালো। আমাদের ছোট-ছোট যে ভুলগুলো ছিল এ জন্য আমরা হেরে গেছি।’

কুর্টিস ক্যাম্ফার অ্যাকশনে আসতেই ভাঙে তামিম ইকবালের প্রতিরোধ। ৩৩ রানে থাকা বরিশালের অধিনায়ক বাউন্ডারি লাইনে আভিষ্কা ফার্নান্দোর হাতে হয়েছেন সহজ ক্যাচ। এই ওভারে আরেক সেট ব্যাটার সৌম্য সরকারের উইকেটও দখলে নেন ক্যাম্ফার। চার বলের ব্যবধানে জোড়া উইকেট নিয়ে ক্যাম্ফার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন চট্টগ্রামের হাতে। ক্যাম্ফার নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে ফের জোড়া উইকেট দখলে নেন। এবার তার শিকার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ইয়ানিক ক্যারিয়াহ। ক্যাম্ফারের বোলিং ফিগার তখন চোখ ধাঁধানো, ২-০-১১-৪। এরপর আর বল হাতে উইকেট না পেলেও অন্য বোলারদের উইকেট পেতে ক্যাম্ফার রাখেন বড় অবদান।