আজও চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার কবলে দুর্দান্ত ঢাকা
আজও চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার কবলে দুর্দান্ত ঢাকা
আজও চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার কবলে দুর্দান্ত ঢাকা
দুর্দান্ত ঢাকার আরও এক ব্যাটিং ব্যর্থতা। আরও একবার অল্পতেই গুটিয়ে গেল ঢাকার দলটি। খুলনা টাইগার্সের বিরুদ্ধে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই উইকেটের আসা-যাওয়া ঢাকার ব্যাটারদের। শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস থামে ১২৮ রানে। সর্বোচ্চ ২৬ রানের ইনিংস খেলেন মোসাদ্দেক হোসেন। দুই জন পেয়েছেন গোল্ডেন ডাকের স্বাদ।
মোহাম্মদ নাইম শেখ এদিন ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ। একের পর ডট দিয়ে থিতু হওয়া নাইম বিদায় নিয়েছেন লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। ফেরার আগে ১১ বলের বাউন্ডারি বিহীন ইনিংসে নাইম করেন কেবল ৫ রান। ওয়েইন পারনেল কেবল নাইমের উইকেট দখলে নিয়েই ক্ষান্ত হনি, পরের বলেই স্টাম্প ভাঙেন সাইফ হাসানের। তিনে নামা সাইফ গোল্ডেন ডাকের স্বাদ নিয়ে যান সাজঘরে। ওয়েইন পারনেলের ডাবল উইকেট মেডেন।
১৮ রানে দুই উইকেট খুইয়ে চরম বিপাকে পড়া দুর্দান্ত ঢাকা পাওয়ার প্লের মধ্যে হারায় আরও এক উইকেট। নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসেও উইকেটের দেখা পান পারনেল। উইকেটকিপার ব্যাটার অ্যাডাম ম্যাথু রসিংটনও শিকার হয়েছেন পারনেলের। ব্যক্তিগত ১৮ রানে মুকিদুল মুগ্ধর হাতে ক্যাচ তোলেন রসিংটন। আউট হওয়ার আগের ডেলিভারিতেই দারুণ এক বাউন্ডারি পেয়েছিলেন রসিংটন।
ওশানে থমাস নিজের প্রথম ওভারে ওয়াইড, নো মিলিয়ে ৯ বল করলেও রান খরচ করেছেন কেবল পাঁচ। এরপর ইরফান শুক্কুর আর অ্যালেক্স রস মিলে দুর্দান্ত ঢাকাকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা চালান। এই দুইয়ের ব্যাটে উইকেটের ধাক্কা সামলে নিলেও রানের চাকায় গতি আসেনি ঢাকার। রস-শুক্কুর জুটির ৩৫ রান আসে ৩৮ বলে।
তবে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে দুর্দান্ত ঢাকার ব্যাটিং লাইনকে ধ্বংসস্তূপ বানিয়ে দেন। জোড়া উইকেট দখলে নেন কেবল ১ রান দিয়ে। ওভারের ৪র্থ বলে ২৫ রানে থাকা ইরফান শুক্কুরকে বানান ক্যাচ। পরের বলে নেই শন উইলিয়ামসও। সাইফ হাসানের পর দ্বিতীয় গোল্ডেন ডাকের স্বাদ নিয়ে যান ঢাকার এই জিম্বাবুইয়ান তারকা।
দলীয় ৬২ রানে নেই দুর্দান্ত ঢাকার ৫ উইকেট। ধীরগতির অ্যালেক্স শেষপর্যন্ত ব্যক্তিগত ২৫ রানে প্যাভিলিয়নে যান। তার এই ইনিংস আসে ৩৫ বলে। এরপর মোসাদ্দেক হোসেন ২৩ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলেন। চতুরঙ্গ ডি সিলভা আর আলাউদ্দিন বাবু মিলে ঢাকার ইনিংস শেষ করে আসেন।