আক্ষেপটা থেকেই গেলো তামিম-মুশফিকের

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
আক্ষেপটা থেকেই গেলো তামিম-মুশফিকের

আক্ষেপটা থেকেই গেলো তামিম-মুশফিকের

আক্ষেপটা থেকেই গেলো তামিম-মুশফিকের

  আজও হলোনা শতক হাঁকানো।  ৮২ বলে ৭০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ফিরে যেতে হলো সাজঘরে। আর মুশফিক ফিরলেন ৬১ রানে। বাংলাদেশের জন্য আজকের টস জেতাটা গুরুত্বপূর্নই ছিলো। সেটা শুরুতেই বুঝিয়েছে সৌম্য-সাব্বির। ভুবনেশ্বের কুমারের প্রথম ওভারের শেষ বলে এক অসাধারণ ডেলিভারিতে শূন্য রানে বোল্ড হন সৌম্য সরকার। ওয়ানডাউনে ব্যাটিং করতে এসে সাব্বির  শুরুটা ছিল দাপুটে। এসেই শুরু করেছিলেন বাউন্ডারি দিয়ে। তবে উইকেটে থিতু পারেননি বেশিক্ষণ। ২১ বলে ৪ চারে ১৯ রান করেই ফিরলেন সাজঘরে। তামিম খেলে যাচ্ছিলেন দেখেশুনেই। আরেক পাশ থেকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তামিম পেলেন অর্ধশতক। এরপর মুশফিকের ব্যাটেও আসে অর্ধশতক। অর্ধশতক থেকে তামিম ছুটছিলেন শতকের দিকে। কে জানতো আনকোরা কেদার যাদবের কাছেই হতে হবে বোল্ড! ৮২ বল খেলে ৭০ রান করেই ফেরেন সাজঘরে। ৭০ রানে ছিলো সাত ৪ আর এক ৬। আসরের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ছিলো তামিমের শতক হাঁকানো ইনিংস। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আউট হয়েছিলেন ৯৫ রান করে। শূন্য রান করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। তামিমের বিদায়ের পর উইকেটে আসেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শতক হাঁকানো ম্যাচ জয়ী ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান। দেখে শুনে খেলতে গিয়েই কিনা কাটা পড়লেন জাদেজার বলে। ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ২৩ বলে ১৫ রান করে। একই পথে হাটেন মুশফিকও। জাদেজার বলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন কোহলির হাতে।  ৮৫ বলে করেন ৬১ রান। উইকেটে আছেন মাহমুদুল্লাহ আর মোসাদ্দেক। ৪০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২০৭ রান।