উড়ে এসেই গুড়িয়ে দেওয়া নিশামের নেশা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 2 ঘন্টা আগে
উড়ে এসেই গুড়িয়ে দেওয়া নিশামের নেশা

উড়ে এসেই গুড়িয়ে দেওয়া নিশামের নেশা

উড়ে এসেই গুড়িয়ে দেওয়া নিশামের নেশা

জিমি নিশাম বিপিএলে এসেই জয় করলেন রংপুর রাইডার্সকে। তার অনবদ্য ফিনিশিংয়েই রংপুর রাইডার্স পায় ২১১ রানের বড় সংগ্রহ। এরপর বল হাতেও নিশামের শো চলে মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে। ব্যাট হাতে ২৬ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলার পর বোলিংয়েও শিকার করেন জোড়া উইকেট। ম্যাচ সেরার পুরষ্কার নিয়ে আসেন সংবাদ সম্মেলনে, করলেন অভিজ্ঞতা শেয়ার। নিশামের বললেন, বাংলাদেশ তার পরিচিত কন্ডিশন। ১০ ওভারের পর ক্রিজে আসায় তার ব্যাট করা সহজ হয়েছে। 

আগেরদিন বাংলাদেশে এসেছেন কিউই অলরাউন্ডার জিমি নিশাম। সেদিনই নেমে যান অনুশীলনে। উড়ে আসা নিশামই আজ গুড়িয়ে দিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে। ব্যাট হাতে ফিনিশিংয়ে রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন। ইনিংসের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ছুঁয়েছেন পঞ্চাশ। 

২৬ বলে ৫১ রানের ক্যামিও ইনিংসে রংপুরকে ২১১ রানের সংগ্রহ এনে দিয়ে বল হাতেও নায়কের ভূমিকায় দেখা যায় নিশামকে। কুর্টিস ক্যাম্ফারকে ফিরিয়ে বিপিএলে নিজের প্রথম উইকেটের দেখা পান নিশাম। এরপর উইকেট সংখ্যা ডাবল করেন শহিদুল ইসলামকে ক্যাচ বানিয়ে। 

রংপুর রাইডার্সের হয়ে নিজের প্রথম বিপিএল খেলতে আসার অভিজ্ঞতা কেমন? জিমি নিশাম বেশ আনন্দ নিয়েই বললেন,
'এখন পর্যন্ত ভালোই। গতকাল সকালে এলাম, দলের সাথেই আছি, অনুশীলনও করেছি। খুবই মানসম্পন্ন একটা দল। আমি আসার আগে থেকেই ওরা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। চাপ সামলে এই মোমেন্টাম ধরে রাখতে হবে। আজকের ম্যাচ নিয়ে আমি খুবই খুশি। এই উইকেটে টপ অর্ডার যেভাবে ব্যাট করেছে, অবিশ্বাস্য। ৬ নম্বরে নেমে আমার জন্য মোমেন্টাম টেনে নেওয়া খুব সহজ ছিল।'
এসেই খেলতে নেমে যাওয়া নিশামের কাছে পরিচিত ঘটনা। 
'এটা আসলে নতুন কিছু না। গত কয়েক বছর ধরেই ক্রিকেট এমন চলছে। অনেক ভ্রমণ, এখানে ওখানে যাওয়া, টি-২০ লিগের আধিপত্য। আমি আগেও এভাবে খেলেছি, নতুন কিছু না। এই কন্ডিশনেও অতীতে খেলা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডে হয়ত আপনি নেমেই মারা শুরু করবেন, তবে এখানে আগে উইকেটে কিছুটা সময় কাটাতে হবে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। প্রথম ১০ ওভারের কারণে আমার জন্য খেলা সহজ হয়ে গিয়েছিল, ক্রিজে নেমেই চড়াও হতে পেরেছি।'
এসব কীভাবে মানিয়ে নেন জিমি নিশাম? 'বিশ্বজুড়ে যখন খেলে বেড়াবেন, তখন মানিয়ে নেওয়া সহজ হয়ে যায়। নিজেরও দায়িত্ব আছে। সামনে কী হতে পারে সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হয়। কোচ অধিনায়করা তো থাকেই। তাই দিনশেষে দায়িত্বটা নিজের। টেকনোলোজির কারণে প্রস্তুতি খুব কঠিন কিছু না। অনেকের সাথে আবার আগে খেলা হয়েছে।'