উড়তে থাকা রংপুরকে মাটিতে নামাল কুমিল্লা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
উড়তে থাকা রংপুরকে মাটিতে নামাল কুমিল্লা

উড়তে থাকা রংপুরকে মাটিতে নামাল কুমিল্লা

উড়তে থাকা রংপুরকে মাটিতে নামাল কুমিল্লা

টেবিল টপার রংপুর রাইডার্স লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে খেল ধাক্কা। টানা ৮ ম্যাচ জয় পাওয়া রংপুর অবশেষে দেখল হার। দুইয়ে থাকা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ইনিংস থামে ১৫০ রানে। এরপর ব্যাট হাতে লিটন দাস খেলেন ৪৩ রানের ইনিংস, মাঝে ৩৯ রানের ক্যামিও খেলেন মাহিদুল অংকন। শেষে তাণ্ডব চালিয়ে রংপুরের বড় পরাজয় নিশ্চিত করেন আন্দ্রে রাসেল।

রংপুর হারলেও বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন সাকিব। একে একে সাকিবের শিকার হয়েছেন নারাইন, লিটন ও হৃদয়। আন্দ্রে রাসেল ১২ বলে ৪৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে কুমিল্লাকে ৬ উইকেটে জেতান। ৩৫৮.৩৩ স্ট্রাইক রেটে আন্দ্রে রাসেল একাই ফিনিশ করে দেন ম্যাচ। ১৪ বল বাকি থাকতেই কুমিল্লার ৬ উইকেটের দাপুটে জয়।  আজ রংপুরের কেবল ৩ ব্যাটার পৌঁছাতে পারেন দুই অংকের ঘরে, ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল জিমি নিশাম। ৩৩ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন নিশাম। শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকা রংপুর রাইডার্সের অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জেগেছিল, কিন্তু একা হাতে লড়াই চালিয়ে রংপুরকে এদিন রক্ষা করেন জিমি নিশাম। নিশাম অপরাজিত থাকলেও ১৯.৫ ওভারে ১৫০ রানে অলআউট হয় রংপুর।  লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দুই ওপেনারের ব্যাটে শুরুটা অবশ্য দারুণ করেছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তবে সাকিব আল হাসান এক ওভারেই জোড়া উইকেট শিকার করে কুমিল্লাকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। সুনীল নারাইন আর লিটন দাসের জুটি ভেঙে রংপুরকে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন সাকিব। নিজের প্রথম ওভারে ৬ রান খরচ করেন সাকিব। পরের ওভারে এসেই করলেন বাজিমাত। ১১ বলে ১৫ রানে থাকা নারাইনকে ফেরাতে শামীম পাটোয়ারী বাউন্ডারি লাইনে নেন অনবদ্য এক ক্যাচ। এক বল পর তাওহীদ হৃদয়কে সাকিব দেন ডাকের স্বাদ। এই ওভারে মাত্র দুই রান খরচায় সাকিবের ডাবল উইকেট। দারুণ সব স্ট্রোক্সে এগিয়ে যাওয়া লিটন দাসও হয়েছেন সাকিবের শিকার। আগের ম্যাচে ৮৫ রানের ইনিংস খেলা লিটন আজ আউট হয়েছেন ৪৩ রানে। তবে তার এই ইনিংস ছিল বেশ ধীরগতির, ৪২ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় এই ইনিংস খেলেন। মাঝে ৩৯ রান করেন মাহিদুল ইসলাম অংকন। আন্দ্রে রাসেলের সামনে ইনিংসের ১৭তম ওভার করতে এসে হাসান মাহমুদ খরচ করেন ২৫ রান। পরের ওভারের ৪র্থ ডেলিভারিতেই কুমিল্লার সহজ জয় নিশ্চিত করে দেন রাসেল। ১২ বল খেলে অপরাজিত থাকেন ৪৩ রানে।