২১০ করে বাংলাদেশকে হারানো মায়ের্স বিপিএলে এসে উপহার পেলেন ২১০
২১০ করে বাংলাদেশকে হারানো মায়ের্স বিপিএলে এসে উপহার পেলেন ২১০
২১০ করে বাংলাদেশকে হারানো মায়ের্স বিপিএলে এসে উপহার পেলেন ২১০
২০২১ সালে চট্টগ্রামের এই মাঠেই বাংলাদেশের নিশ্চিত জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন কাইল মায়ের্স। ৪র্থ ইনিংসে হার-না-মানা ২১০ রানের ইনিংসে মায়ের্স ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এনে দেন ৩ উইকেটের এক ঐতিহাসিক জয়। সেই ম্যাচের জয়ের নায়ক কাইল মায়ের্স আবার ফিরলেন চট্টগ্রামে, প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে তার জার্সি নম্বর ২১০। রহস্য ঘেরা এই জার্সি নিয়ে কাইল মায়ের্স সংবাদ সম্মেলনে এসে বললেন, 'আমি তো জানতামই না, জার্সি দেখে চমকে গিয়েছি'।
টেস্ট ক্রিকেটের চতুর্থ ইনিংসে ডাবল হান্ড্রেড করে উইন্ডিজ দলকে জিতিয়ে আসা মায়ের্স আজ আবার ফিরলেন বন্দরনগরীতে। ব্যাটে বলে বিপিএল অভিষেক রাঙালেন কাইল মায়ের্স। ক্যারিবীয় অলরাউন্ডারের দাপুটে পারফর্ম্যান্সের দিনে উড়ছে তার দল ফরচুন বরিশালও। ৪-১-১২-৩, বিপিএলের অভিষেক ম্যাচেই তার এমন চোখ ধাঁধানো বোলিং ফিগার। যা রীতিমতো ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতো। ইনিংসের প্রথম ওভার করতে এসেই কাইল মায়ের্সের বাজিমাত, ডাবল উইকেট মেডেন। সেই ২০২১ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে অভিষিক্ত কাইল মায়ের্সের ব্যাটে চড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পায় রেকর্ড গড়া জয়। যে পথে কাইল মায়ের্স ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বেশ কিছু রেকর্ডে নিজের নাম লিখিয়ে রাখেন। ৪১৫ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ৩১০ বলে খেলা তার অপরাজিত ২১০ রানের ইনিংসটিই ক্যারিবিয়ায়নদের অসাধ্য সাধন করিয়েছে। ব্যাট হাতে ৪৮ রানের ঝড়ো ইনিংস, এরপর বোলিংয়ে নেন ৩ উইকেট। আজ ফরচুন বরিশালের রোমাঞ্চকর জয়ে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার পান দুর্দান্ত কাইল মায়ের্স। ম্যাচ শেষে দলের প্রতিনিধি হয়ে আসেন সংবাদ সম্মেলনেও। তাকে পেয়েই প্রশ্ন করা হয়, চট্টগ্রামে ফেরা ভালো অনুভূতি নিশ্চয়ই?'হ্যাঁ অবশ্যই। এখানে খেলার বেশ দারুণ স্মৃতি আছে আমার। সর্বশেষ যখন এখানে খেলেছিলাম তখন আমি অভিষেকেই ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলাম। ফলে এখানে ফিরে আসার বিষয়টি দারুণ। ফিরতে পেরে আমি বেশ আনন্দিত। সত্যি কথা বলতে ট্রেনিংয়ের সময় এটা ভেবেছিলাম। আমি একটু ভিন্ন অনুভূতি পেয়েছিলাম। মানসিকভাবে হয়ত কিছুটা শান্তি লাগছিল কারণ এখানে ভালো স্মৃতি আছে আমার। আমি গতকাল নেটে অনেক সময় ব্যাট করেছি। বিগ হিটিং অনুশীলন করেছি। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম আজকের ম্যাচের আগে।'ফরচুন বরিশাল দলে তার জার্সি নাম্বার '২১০', এই সংখ্যার গল্প প্রায় সবার জানা থাকলেও বিপিএল জার্সিতে কিভাবে আসলো?
'না, আমি তো জানতামই না। আমি শার্ট দেখে চমকে গিয়েছি। খুবই ভালো লেগেছে, আমি নিজেও হয়তো এটাই চাইতাম তাদের কাছে। বরিশালের উপহারটা দারুণ লেগেছে। তারা জার্সিতে ২১০ নম্বর বসিয়ে দিয়েছে। দারুণ লাগছে। আমি জানি না আমার ম্যানেজার এটা তাদের বলেছিল কিনা!'
