'হোম অ্যাডভান্টেজ' নিয়েও বাজে ভাবে হারল সিলেট

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
'হোম অ্যাডভান্টেজ' নিয়েও বাজে ভাবে হারল সিলেট

'হোম অ্যাডভান্টেজ' নিয়েও বাজে ভাবে হারল সিলেট

'হোম অ্যাডভান্টেজ' নিয়েও বাজে ভাবে হারল সিলেট

সিলেট পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘরের দল সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ০০ রানে টানা দ্বিতীয় জয় পেল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আলিস আল ইসলামের বোলিং ফিগার রীতিমতো চোখ ধাঁধানো। ৪-১-১৭-৪! অনেকটা যেন ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতো। আলিসের এমন দুর্দান্ত দিনে উড়ছে তার দলও। তার এমন অনবদ্য স্পিন শো’তে নাজেহাল হয়ে ১৩১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে সিলেট গুড়িয়ে গেল ৭৮ রানে। ৫২ রানের রোমাঞ্চকর জয়ে সিলেট রাঙাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। 

১৬.২ ওভারে ৭৮ রান করতেই শেষ সিলেট স্ট্রাইকার্সের ইনিংস। বল হাতে আলিস আল ইসলামের বাজিমাতের পর রোস্টন চেজও স্পিন ঘূর্ণি দেখান।  ঢাকা থেকে বিপিএল সিলেটে এসেছে, সঙ্গে বড় আশা নিয়ে আসে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। ঘরের মাঠে হাজার-হাজার দর্শক সঙ্গে নিয়ে জয়ে ফেরার আশা করছিল সিলেট স্ট্রাইকার্স। কিন্তু ভাগ্যের চাকা এখানেও ঘুরেনি সিলেটের, ঢাকা পর্বের মতো এখানেও হার দেখল তারা। ৪ ওভারে আলিস দিলেন মাত্র ১৭ রান, উইকেট নিলেন ৪টি। নিজের কোটার শেষ ওভার নিলেন ডাবল উইকেট মেডেন। তাতেই যেন জয়ের সুবাস পেতে শুরু করে কুমিল্লা।    আগে ব্যাট করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স স্কোরবোর্ডে জমা করে ১৩০ রান। এরপর ম্যাথু ফর্ডকে দিয়ে বোলিং ইনিংসের শুরু করান কুমিল্লার অধিনায়ক লিটন দাস। সিলেটের দুই তারকা ওপেনার মিঠুন-শান্তর সামনে মাত্র ১ রান খরচ করে গেলেন ফর্ড। দ্বিতীয় ওভারেই লিটন বল তোলে দেন আলিসের হাতে। এই ওভারেই সিলেত হারিয়ে ফেলে দুই ওপেনারকে। ওভারের প্রথম বলেই মোহাম্মদ মিঠুন কাটা পড়েন রান-আউটে। তৃতীয় বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে আলিস ফেরান নাজমুল হোসেন শান্তকে। মিঠুন ডাক হয়ে ফিরলেও শান্তর ব্যাট থেকে আসে ৫ রান।  প্রথম ওভার দুর্দান্তভাবে শেষ করলেও উইকেটের দেখা না পাওয়া ফর্ড পরের ওভারেই পেলেন সাফল্য। ইনসুইঙ্গার ডেলিভারিতে উপড়ে ফেলেন সামিত প্যাটেলের উইকেট। আলিস দ্বিতীয় ওভার করতে এসে রান খরচ করেন ৬, ফর্ড কোটার তিন নম্বর ওভারে দেন ৩ রান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে এসে আলিস যেন ফিরলেন সেই আগের রূপে। ৮ বলে ১ করে ইয়াসির আলি হয়েছেন স্টাম্পড। ২৬ রান করতেই টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটারকে খুইয়ে চরম বিপাকে সিলেট।  পাওয়ার-প্লের পরেও আলিস যেন আনপ্লেয়েবল। নিজের ৪ ওভার শেষ করতে এসে দখলে নেন জোড়া উইকেট। ড্রিম ডেলিভারিতে বেন কাটিংকে বোল্ড করে পরের বলেই মাশরাফি হন এলবিডব্লিউ। ৮ ওভারে ২৮ রানে ৬ উইকেট নেই সিলেটের। এরপর অবশ্য রায়ান বার্ল ও জাকির হাসানের ব্যাটে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে সিলেট ড্রেসিংরুমে। এই দুইয়ে মিলে ৩৬ বলে স্কোরবোর্ডে যোগ করে ৪০ রান। কিন্তু মুহূর্তেই ছন্দপতন, রেজাউর রহমান এক ওভারে নেই দুই সেট ব্যাটার। রাজার তিন বলের ব্যবধানে বিদায় নেন জাকির ও রাজা।