সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন শ্রীলঙ্কার সহকারী কোচ
সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন শ্রীলঙ্কার সহকারী কোচ
সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন শ্রীলঙ্কার সহকারী কোচ
শ্রীলঙ্কা দলের সহকারী কোচ নাভিদ নেওয়াজ বেশ স্পষ্টভাবে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দিলেন। বড় পর্দায় পুরো ঘটনা সবাই দেখেছে। এরপরও নাভিদ মনে করেন, তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে নিশ্চয়ই কোনো প্রমাণাদি আছে, যার কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। শুধুমাত্র তাই ফুটেজ দেখে সিদ্ধান্ত নিতে চায় না শ্রীলঙ্কা। ম্যাচ রেফারির কাছে ম্যানেজমেন্ট যাবে, সেখানে কী হয়েছে- তা বোঝার চেষ্টা করবে।
আজ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। ১৬৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা পেরোতে খুব বেশি সমস্যায় পড়তে হয়নি বাংলাদেশকে। তবে যে ঘটনার জন্ম হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। কিছুটা বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সিদ্ধান্ত মানতে পারেননি শ্রীলঙ্কা। যার ফলে তাঁরা পরের ধাপে কী করবেন, তা নিয়েও ভাবছেন। দ্বিতীয় ইনিংসের চতুর্থ ওভারে বিনুরা ফার্নান্দোর হতে বল। প্রথম ডেলিভারি করলেন, শর্ট অব লেন্থ ধরনের। স্ট্রাইকে থাকা সৌম্য সরকার পুল করার চেষ্টা করলেন, ব্যাটে বলে হলো না। সরাসরি উইকেটরক্ষকের হাতে চলে যায় সে বল। হালকা আবেদনে আঙ্গুল তোলেন মাঠের আম্পায়ার। তবে সৌম্য রিভিউ নিতে দেরি করেননি। রিভিউ চেক করার সময় দেখা যায়, বল যখন ব্যাট অতিক্রম করছে- তখন স্পাইক স্পষ্ট। সবাই তাই ধরে নেয় এটি আউট। কিন্তু তৃতীয় আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল মনে করেছেন, স্পাইক দেখা গেলেও ব্যাট ও বলের মধ্য দূরত্ব ছিল। এর ফলে তিনি ‘নট আউট’ এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে বলতে গিয়ে নাভিদ বলেন,“অন ফিল্ড আম্পায়ার এটি আউট দিয়েছে। আমি নিশ্চিত টিভি আম্পায়ারের সাধারণত পরিষ্কার প্রমাণাদি থাকতে হয়, আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ঘুরিয়ে দিতে। এটা পরিষ্কার সেখানে স্পাইক ছিল। আমরা বড় পর্দায় তা দেখেছি। আমরা হয়ত বিষয়টি নিয়ে ম্যাচ রেফারির কাছে যাব, দেখতে কী হয়েছিল আসলে। আমাদের স্ক্রিনে থাকা ফুটেজ আসলে যথেষ্ট না কিছু বলার জন্য। টিভি আম্পায়ারের কাছেও অবশ্যই প্রমাণ থাকবে, অন ফিল্ড আম্পায়ারের দেওয়া সিদ্ধান্ত ঘুরিয়ে দিতে।''নাভিদ আরও যোগ করেন, “এটা ছিল প্রথম উইকেট। শুরুটা খুব ভালো হতো, এই উইকেট পেলে। এই ধরনের ট্র্যাকে যেকোনো উইকেট গুরুত্বপূর্ণ।''
