কনকাশনেই হল ঢাকার রক্ষা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
কনকাশনেই হল ঢাকার রক্ষা

কনকাশনেই হল ঢাকার রক্ষা

কনকাশনেই হল ঢাকার রক্ষা

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানো দুর্দান্ত ঢাকাকে টেনে তুলে ক্রসপুল-ইরফান জুটি। অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা কাটিয়ে এই দুইয়ের ব্যাটে চড়ে ঢাকা স্কোরবোর্ডে জমা করে ১৩৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ। দলকে বিপদ থেকে বাঁচালেও ৪ রানের জন্য ফিফটি মিস করেন ক্রসপুল। শেষবেলায় ১৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে সংগ্রহে দুর্দান্তভাবে অবদান রাখেন তাসকিন। 

দ্রুতই টপ অর্ডারকে খুইয়ে চরম বিপাকে পড়া দুর্দান্ত ঢাকা ইরফান শুক্কুর আর কনকাশন সাব হিসাবে নামা লাসিথ ক্রসপুলের ব্যাটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এই দুইয়ের ৫২ বলে খেলা ৭৮ রানের জুটিতেই রক্ষা হয়েছে ঢাকার। বদলি হিসাবে নেমে ক্রসপুল দুর্দান্ত ইনিংস খেললেও পূর্ণ করতে পারেননি ফিফটি।   টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা দুর্দান্ত ঢাকা শুরুতেই দুর্ভাগ্যজনকভাবে হারায় ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকাকে। ঘটনা ঢাকার ইনিংসের ১.৩ তম ওভারে। ৯ বল খেলা গুনাথিলাকার রান তখন ১, চট্টগ্রামের পেসার আল-আমিনের লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারি ইনসাইড এজ হয়ে আঘাত করেছে ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকার হেলমেটে। লুটিয়ে পড়ে যান নিচে, এরপর যখন ওঠে দাঁড়ান গাল থেকে রক্ত ঝড়ছিল। ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির ফিজিও এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত আর মাঠে থাকা হয়নি এই লঙ্কান ব্যাটারের। উঠে যেতে হয়েছে, তিন নম্বরে ব্যাট করতে আসেন সাইফ হাসান।  গুনাথিলাকার রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ার পর অবশ্য ঢাকাও পথ হারিয়েছে। সাইফ হাসান ক্রিজে এসে থিতু হতে পারেননি। আল-আমিনের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন নাজিবউল্লাহ জাদরানকে। পরের ওভারেই ডাক খেয়ে সাজঘরে ফিরেছেন ঢাকার অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন ৬ বল খেলেও কোনো রান করতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার অ্যালেক্স রস ৯ বলে ১১ করে হয়েছেন রান আউট। ৩৩ রানের ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপাকে ঘরের দল।  চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম কনকাশন সাব হলেন দুর্দান্ত ঢাকার লাসিথ ক্রসপুল। তবে বিপিএলের ইতিহাসে এবারই প্রথম ঘটনা নয় এটি, এর আগে ২০২২ সালের বিপিএলে খুলনা টাইগার্সের আন্দ্রে ফ্লেচারের কনকাশন সাব হিসেবে মাঠে নামেন সিকান্দার রাজা। বদলি হয়ে নামা ক্রসপুলের ব্যাটেই হয় ঢাকার রক্ষা। উইকেটকিপার ব্যাটার ইরফান শুক্কুরকে নিয়ে ৫২ বলে ৭৮ রানের জুটি গড়েন। দলের সংগ্রহ যখন শতরান ছাড়িয়ে তখন বিদায় নেন ক্রসপুল।  কুর্টিস ক্যাম্ফারকে আগের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে পরের বলেও বাউন্ডারির চেষ্টায় ক্যাচ হন ক্রসপুল। ফিফটির খুব কাছে গিয়ে তাকে ফিরতে হয় ৪ রানের আক্ষেপ নিয়ে। ৩১ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৬ রানে সাজানো ছিল তার এই ইনিংস। চতুরঙ্গ ডি সিলভা ফিরেছেন পরের ওভারেই। ৩ বলে ৩ করে হয়েছেন আল-আমিন হোসেনের দ্বিতীয় শিকার। ২৬ বলে ২৭ করে ফিরে যান ইরফান শুক্কুরও।  ইনিংসের শেষ ওভারে উইকেট হারান তাসকিন আহমেদ। এর আগেই তাসকিনের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান। শেষপর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে দুর্দান্ত ঢাকার ইনিংস থামে ১৩৬ রানে।