বিজয়ের ফিফটির পর সোহানের অনবদ্য ফিনিশিং

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
বিজয়ের ফিফটির পর সোহানের অনবদ্য ফিনিশিং

বিজয়ের ফিফটির পর সোহানের অনবদ্য ফিনিশিং

বিজয়ের ফিফটির পর সোহানের অনবদ্য ফিনিশিং

আরও একবার এনামুল হক বিজয়ের ব্যাটে খুলনা টাইগার্সের ইনিংস শেষ করে আসা। অধিনায়কোচিত ইনিংসে বিজয় শুধু দলকেই টানেননি, নিজে পেয়েছেন এবারের আসরে তৃতীয় ফিফটির দেখা। শেষদিকে বিজয়কে সঙ্গ দিয়ে হাবিবুর রহমান সোহান চালান তাণ্ডব। সোহান অবশ্য ফিফটি না পেলেও ৩০ বলে খেলেছেন ৪৩ রানের অনবদ্য ইনিংস। আর তাতেই সিলেটের বিপক্ষে খুলনার রান ১৫৩। 

হাবিবুর রহমান সোহান ও এনামুল হক বিজয় মিলে শেষ তিন ওভারে খুলনার সংগ্রহে এনে দেন ৫১ রান। ৫১ বলে পঞ্চাশ হাঁকিয়ে অধিনায়ক বিজয় অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন ৬৭'তে। এ নিয়ে টুর্নামেন্টে তিনবার তার ব্যাট থেকে এসেছে ফিফটি, তিনবারই তিনি অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। তবে বিজয়ের অধিনায়কোচিত ইনিংস ছাপিয়ে গেল হাবিবুর রহমান সোহানের ক্যামিও। সমান ৩ ছয় ও চারে সোহানের ব্যাট থেকে ঝড়ো ৪৩ রান। বিজয়-সোহান জুটির অবশ্য আছে আক্ষেপ, ১ রানের জন্য তারা ছুঁতে পারেননি শতক। তবে এর আগেই তাদের নামে লেখা হয়ে যায় রেকর্ড, যেকোনো উইকেটে এটি এবারের ৪র্থ সর্বোচ্চ রানের জুটি।  বিপিএলে একদিন বিরতির পর আজ শুক্রবার দুপুরের ম্যাচে লড়াইয়ে খুলনা টাইগার্স, সিলেট স্ট্রাইকার্স। টসে  জিতে খুলনা টাইগার্সের অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় সিদ্ধান্ত জানালেন, আগে ব্যাট করার। লুইস-বিজয়ের ওপেনিং জুটিতে খুলনার শুরুটা হয়েছিল দারুণ, তবে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে সামিত প্যাটেল অ্যাকশনে আসতেই খুলনা হারায় উইকেট। ৩ চারে ১২ রানে থাকা এভিন লুইস পুল শট খেলতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে হন ক্যাচ।  দ্রুত উইকেট হারালেও তিনে নামা আফিফ হোসেন বিপর্যয় বুঝতে দেননি খুলনার দর্শকদের। শুরু থেকেই আফিফ মারমুখী রূপ নেন, সিলেটের বোলারদের রাখেন চাপে। আফিফ-বিজয়ের জুটির কল্যাণে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে খুলনার স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৪৬ রান। আফিফের ব্যাটে খুলনার রানের চাকায় গতি আসলেও আফিফই থাকতে পারেননি বেশিক্ষণ। ইনিংসের ৮ম ওভারে বেনি হাওয়েলের হাতে বল তুলে দিতেই সিলেট পায় গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু। রিভিউ চ্যালেঞ্জ জানিয়েও উইকেট বাঁচাতে পারেননি আফিফ। প্যাভিলিয়নে ফিরে যেতে হয় ব্যক্তিগত ২৪ রানে। যা তিনি করেছেন ১৬ বলে, ৩ চার ও ১ ছক্কায়।  বাউন্ডারির চাহিদায় হাঁসফাঁস করতে থাকা মাহমুদুল হাসান জয় শেষ পর্যন্ত ক্যাচে বিদায় নেন। জয় এদিন ৬ বল খেলেও ১ রানের বেশি করতে পারেননি। দলীয় ৫৪ রানে ৩ উইকেট হারানো খুলনার শঙ্কায় ছিল অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার। এ সব যেন মুহূর্তেই উড়িয়ে দেন অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়। উইকেটের আসা-যাওয়া দেখা বিজয় এরপর সঙ্গী বানান তরুণ হাবিবুর রহমান সোহানকে।   দুজনের ব্যাটেই শেষদিকে ওঠল ঝড়! রেজাউর রহমান রাজার শেষ ওভারে বিজয়, সোহান মিলে খরচ করান ২২ রান। আর তাতেই খুলনা টাইগার্সের সংগ্রহে জমা হয় ১৫৩ রান।