শেষ ম্যাচে এসে ফিফটি পেলেন আফিফ

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
শেষ ম্যাচে এসে ফিফটি পেলেন আফিফ

শেষ ম্যাচে এসে ফিফটি পেলেন আফিফ

শেষ ম্যাচে এসে ফিফটি পেলেন আফিফ

বিপিএলের নিরুত্তাপ ম্যাচে আলো ছড়ালেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। এবারের বিপিএলে ১২তম ম্যাচে এসে প্রথম ফিফটির দেখা পেলেন খুলনার ওপেনার আফিফ। আফিফের ঝড়ো ফিফটির পরও সংগ্রহ বড় হল না খুলনার। এদিন জ্বলে ওঠতে পারলেন না খুলনা টাইগার্সের অন্য কোনো ব্যাটার। বেনি হাওয়েল, শফিকুল ইসলামদের পেস সামলাতে ব্যর্থ হয়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে খুলনা শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে জমা করে ১২৮ রান। 

লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে মিরপুরে টসে জিতলেন সিলেটের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। সিদ্ধান্ত জানালেন, আগে বোলিং করার। অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ওপেন করতে নেমে যান আফিফ হোসেন ধ্রুবকে নিয়ে। তবে দারুণ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েও এনামুল বিজয় এদিন ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ১০ রানে থাকা বিজয় ইনিংসের চতুর্থ ওভারে শফিকুল ইসলামের ইনসুইঙ্গারে হারান স্টাম্প। ভাঙে ২৫ রানের উদ্বোধনী জুটি। তিনে নামা হাবিবুর রহমান সোহান ছিলেন বেশ ধীরগতির। প্রথম ১০ বলে ১ রান পাওয়া সোহান প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন ১৪ বলে ৩ করে। বেনি হাওয়েল নিজের প্রথম ওভার করতে এসে মাত্র ২ রান খরচায় পেয়ে যান উইকেট। সোহান ধুঁকতে থাকলেও ওপেনার আফিফ হোসেন ধ্রুব ছিলেন ছন্দে। সিলেটের বোলারদের ওপর চালান পালটা আক্রমণ।  আফিফকে এসে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হন মাহমুদুল হাসান জয়ও। তানজিম সাকিবের শিকার হয়ে ফেরার আগে জয়ের ব্যাট থেকে ১২ বলে আসে ১১ রান। এরমাঝেই স্ট্রোক্সের ফোয়ারা ছুটিয়ে ৩১ বলে ফিফটি তুলে নিলেন আফিফ হোসেন। সিলেটের পার্ট টাইম স্পিনার নাজমুল হোসেন শান্তকে মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন আফিফ। এরপর অবশ্য বেশিদূর এগোয়নি আফিফের ইনিংস। ব্যক্তিগত ৫২ রানে আফিফ উইকেট হারান সামিত প্যাটেলের বলে ক্যাচ দিয়ে।  দলকে স্বস্তি দেওয়ার বদলে আরও একবার বিপদ বাড়িয়ে গেলেন খুলনার ক্যারিবীয় রিক্রুট জেসন হোল্ডার। ৮ বল খেলে করেছেন কেবল ৬ রান। চট্টগ্রামে খুলনার জার্সিতে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে অবশ্য পেয়েছিলেন ১৮। থিতু হয়ে যাওয়া ওয়াইন পারনেলও দলকে টানতে পারেননি বেশিক্ষণ। সিলেটের তরুণ পেসার শফিকুল ইসলামের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে পারনেলের ব্যাটে ২১ রান। ১৪ বল খেলা পারনেল ১ ছয়ের সাথে বাউন্ডারি হাঁকান দুটি।  একের পর এক উইকেট খুইয়ে ধুঁকতে থাকা খুলনা আরও এক উইকেট হারায় বেনি হাওয়েলের কাছে পরাস্ত হয়ে। কোটার শেষ ওভার করতে আসা বেনি প্রথম ডেলিভারিতেই ফিরিয়ে দেন ৮ বলে ১১ রানে থাকা নাহিদুল ইসলামকে। দাপুটে পারফর্ম্যান্সে বেনি হাওয়েল তার ৪ ওভার শেষ করে যান, ৪-০-১৫-৩ বোলিং ফিগার রীতিমতো চোখ ধাঁধানো। ১১৭ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়ে অল্পতেই ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জাগে খুলনার।  শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে খুলনা টাইগার্স সংগ্রহ করে ১২৮ রান। রুবেল হোসেন ১০ বলে ৬ রান করে থাকেন অপরাজিত।