টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তাসকিন চান ভালো ব্যাটার হতে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তাসকিন চান ভালো ব্যাটার হতে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তাসকিন চান ভালো ব্যাটার হতে
বল হাতে ৪ ওভার করে ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট, ব্যাট হাতে ১১ বলে ৬ বাউন্ডারিতে অপরাজিত ২৭ রান। দুর্দান্ত ঢাকার তাসকিন আহমেদ আজ হয়ে উঠেছিলেন পুরোদস্তুর অলরাউন্ডার। দুঃখের বিষয় তার শত চেষ্টাতেও ম্যাচ জেতেনি ঢাকা। সিলেট স্ট্রাইকার্স নিজেদের দুঃখ ঘুচিয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে কথা বলেছেন তাসকিন।
তাসকিন যেভাবে ব্যাট করেছেন, ঢাকার ব্যাটাররা সেখানে ব্যর্থ হয়েছেন। ইনিংস সর্বোচ্চ ২৭ রান ছিল দলের বোলারের ভূমিকায় থাকা তাসকিনের। ১৪৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা মোকাবিলা করতে যেয়ে ব্যাটারদের অসচেতনতাই হয়ত ভুগিয়েছে ঢাকাকে। গণমাধ্যম থেকে কিছুটা মজার ছলেই প্রশ্ন গেল, সতীর্থ ব্যাটারদের উপর রাগ থেকেই এমন ব্যাটিং করলেন কি না তাসকিন?,"না! না! রাগ করে মারছিলাম না। তা করলে তো লাগবেও না। আমি আসলে অনুশীলন করছি। আগেও অনেকবার বলেছি, ভালো টেইল এন্ডার হতে চাই। নিয়মিতই অনুশীলন করছিলাম। নিজের ভিত্তি ঠিক রেখে বল অনুযায়ী কানেক্ট করার চেষ্টা করছিলাম।” “ব্যাটসম্যানদের ওপর রাগ করব কেন (হাসি)। ওরা তো আমাদের সতীর্থ। হ্যাঁ একটু হতাশ। যেহেতু কম রানের ম্যাচও আমরা তাড়া করতে পারিনি। অবশ্যই তাড়া করা উচিত ছিল। আমি নিশ্চিত, আমাদের দলের ব্যাটসম্যানরাও হতাশ। দিন শেষে আসলে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট, সবার ক্যারিয়ারেরও বিষয়। অবশ্যই ভালো অনুভূতি নয়।"নিচের দিকে ব্যাট করার ক্ষেত্রে সবসময়ই মনোযোগী ভূমিকায় দেখা যায় তাসকিনকে। তিনি যে ব্যাটিং নিয়ে কাজ করেন আলাদাভাবে তা বিভিন্ন সময় দেখা গেছে। সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাথায় আছে এই বাংলাদেশি পেসারের। সেখানে সুযোগে সঠিক ব্যবহারের গুরুত্ব তিনি বোঝেন। তাসকিন বলেন,
"এরকম দুই-একটা ইনিংস হলে নিজেরও একটু ভালো লাগে। কারণ মাঝেমধ্যে যখন এমন হয়, তখন মনে হয় যে বাড়তি যে অনুশীলন করছি, পরিশ্রম করছি, এর ফল পেলাম। এখনও অনেক উন্নতি বাকি আছে। আল্টিমেটলি আমরা টেইল এন্ডাররা যদি উন্নতি করি, এটা আমাদের অনেকগুলো ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্য রাখবে। এটাই চাই। কারণ সামনে আমাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে। তো একটু মেহনত করলে হয়তো ভালো টেইল এন্ডার হওয়া সম্ভব।"
