তামিমের আক্ষেপের ইনিংসেই উড়ে গেল ঢাকা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
তামিমের আক্ষেপের ইনিংসেই উড়ে গেল ঢাকা

তামিমের আক্ষেপের ইনিংসেই উড়ে গেল ঢাকা

তামিমের আক্ষেপের ইনিংসেই উড়ে গেল ঢাকা

প্রথম ম্যাচে ২, পরের ম্যাচে ১৯, তৃতীয় ম্যাচে এসে আর আগের ভুলগুলো করেননি তানজিদ হাসান তামিম, ইনিংস টেনেছেন স্বাচ্ছন্দ্যে। ওপেনিংয়ে নেমে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়তে পারতেন চট্টগ্রামের এই তরুণ ওপেনার। কিন্তু হল না, ফিরেছেন এক রানের আক্ষেপ নিয়ে। শেষপর্যন্ত ১০ বল বাকি থাকতেই চট্টগ্রাম জিতল ৬ উইকেটে।

১৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দুর্দান্ত শুরু চট্টগ্রামের, বাউন্ডারির হ্যাটট্রিক আসে আভিষ্কা ফার্নান্দোর ব্যাট থেকে। কিন্তু শরিফুল ইসলামের এই ওভারেই উইকেট হারান আভিষ্কা। তার ঝড় থেমে যায় দ্রুতই, ওভারের শেষ বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ৩ চারে ১২ রানই তার সংগ্রহ। বাজে শুরুর পরও দারুণ ভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন শরিফুল। নিজের পরের ওভারে এসে ফেরান তিনে নামা ইমরানউজ্জামানকে।  এবারও শরিফুলের বলে এলবিডব্লিউ হন ইমরান। রিভিউ নিয়েও উইকেট বাঁচাতে পারেননি ইমরান। ২৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। এরপর চ্যালেঞ্জার্সরা বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠে দুই বন্ধু তামিম-দিপুর ব্যাটে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে এই দুই তরুণ ব্যাটার ৫২ বলে যোগ করেন ৫৩ রান। তাতেই যেন সহজ হতে থাকে চট্টগ্রামের জয়ের পথ।  ইনিংসের ৪র্থ ওভারে বল হাতে অ্যাকশনে আসেন তাসকিন আহমেদ। শুরুর তিন বলে দেননি একরানও, কিন্তু পরের তিন বলে তানজিদ তামিমের ব্যাটের কাছে খরচ করেন টানা তিন বাউন্ডারি। পরের ওভারে আরাফাত সানিকে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকান শাহাদাত হোসেন দিপু। ৫ ওভারে পঞ্চাশ রানে পৌঁছে যায় চট্টগ্রামের সংগ্রহ।  তবে দিপুর ধীরগতির ইনিংস বেশিক্ষণ স্থায়ী করতে দেননি ঢাকার পাকিস্তানি স্পিনার উসমান কাদির। অফ স্টাম্পের বাইরে স্লোয়ার বল খেলতে গিয়ে ক্যাচ হন ৩১ বলে ২২ রানে থাকা দিপু। এরপর তানজিদ তামিমকে সঙ্গ দিতে আসেন নাজিবউল্লাহ জাদরান। ১৪ ওভারে দলীয় সংগ্রহ একশোতে পৌঁছায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের।  তাসকিন আহমেদ নিজের শেষ ওভার করতে এসে ফেরান দারুণ খেলতে থাকা তানজিদ তামিমকে। ওভার বাউন্ডারি খেলতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ হন ব্যক্তিগত ৪৯ রানে। ৪০ বলে তার এই ইনিংস সাজানো ছিল ৫ চার ও ১ ছক্কায়। তামিম আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও চট্টগ্রামের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন নাজিবউল্লাহ। তাকে শেষবেলায় সঙ্গ দেন অধিনায়ক শুভাগত হোম।  ৩ ছয় ও ১ চারের সাহায্যে ১৯ বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংসে অপরাজিত থাকেন নাজিবউল্লাহ। শুভাগত হোম ৭ রান নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ১০ বল বাকি থাকতেই চট্টগ্রামের ৬ উইকেটের জয়।