শ্রীলঙ্কাকে অল্পতেই আটকে দিল শরিফুল, রিশাদরা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
শ্রীলঙ্কাকে অল্পতেই আটকে দিল শরিফুল, রিশাদরা

শ্রীলঙ্কাকে অল্পতেই আটকে দিল শরিফুল, রিশাদরা

শ্রীলঙ্কাকে অল্পতেই আটকে দিল শরিফুল, রিশাদরা

সিরিজে ফিরতে হলে আজ জিততেই হবে টাইগারদের। ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে টাইগার পেসারদের দারুণ কামব্যাক। আগের ম্যাচে ১২ ওভারে তাসকিন-শরিফুল-মুস্তাফিজ মিলে রান দিয়েছিলেন ১২৯, আজ তারা গতির ঝড়ে বিপাকে ফেলেছেন লঙ্কান ব্যাটারদের। এদিন ব্যাট করতে নামা ৭ ব্যাটারের কেউই পাননি ফিফটির দেখা। ৪-১-২০-০, ৪-০-৩৮-১, ৪-০-৪২-১; শরিফুল-তাসকিন-মুস্তাফিজের এই বোলিং ফিগারগুলোই বলে দেয় আজকের ম্যাচে টাইগার পেসাররা কতটা বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন। 

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে জমা করতে পারে ১৬৫ রান। ৩৬ ম্যাচের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে শরিফুল আজ পেয়েছেন প্রথম মেডেন, তবে থেকে যান উইকেট শূন্য। তার বোলিং ইকোনমি এদিন ছিল ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতো। তবে আগের ম্যাচের বোলিং ফিগার মুস্তাফিজ লিখলেন আজও, ৪-০-৪২-১। আগের ম্যাচে দ্বিতীয় ডেলিভারিতেই উইকেট পাওয়া শরিফুল ইসলাম আজও করলেন শুরুর ওভারে বাজিমাত। এবার অবশ্য উইকেট না পেলেও লঙ্কান ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্দোকে সবকটি বলই ডট খেলতে বাধ্য করেন। শরিফুলের মেডেনে বাংলাদেশের ইনিংস শুরু। তবে পরের ওভারে তাসকিন আহমেদ অ্যাকশনে এসে আভিষ্কাকে আর উইকেটে থাকতে দেননি। ধুঁকতে থাকা আভিষ্কাকে নিজের বলে ফিরতি ক্যাচ বানান তাসকিন। ৭ বল খেলা লঙ্কান তারকা ওপেনার এদিন ফিরলেন ডাক হয়ে। আগের ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো কুশল মেন্ডিস আজও ছিলেন তার চেনা ছন্দে। কামিন্দু মেন্ডিসকে নিয়ে জুটিতে শুরুর ধাক্কা সামলে নিয়ে রানের চাকায়ও এনেছেন গতি। প্রথম তিন ওভারে কেবল ৮ রান আসলেও পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে শ্রীলঙ্কা পায় অবশ্য ৪৯ রান। ২৯ বলে মেন্ডিস-কামিন্দু জুটির ৫০ রান পূর্ণ হয়। পঞ্চাশ ছাড়িয়ে রীতিমতো হুমকির কারণ হয়ে তারা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন। কোনোভাবেই ব্রেকথ্রু না পাওয়া বাংলাদেশ স্বস্তি পায় সৌম্য সরকারের আগমনে। বল হাতে নিয়েই সৌম্য ভাঙেন ৬৬ রানের জুটি। ২২ বলে ৩৬ রানে থাকা কুশল মেন্ডিস সৌম্যর বলে ব্যাট ছুঁয়ে হয়েছেন লিটনের গ্লাভসে ক্যাচ। রিশাদ হোসেনের পরের ওভারে রান আউটে কাটা পড়েন আরেক সেট ব্যাটার কামিন্দু মেন্ডিস। ২৭ বল খেলা কামিন্দুর ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। দ্রুত দুই সেট ব্যাটারকে হারিয়ে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়ে লঙ্কানরা। আগের ম্যাচে ৬১ রানের হার-না-মানা ইনিংস খেলা সাদিরা সামারাবিক্রমা আজ বিদায় নিয়েছেন শুরুতেই। ১১ বলের বাউন্ডারি বিহীন ইনিংসে রান পেয়েছেন কেবল ৭। নিজের বলে মুস্তাফিজও এবার নিয়েছেন ফিরতি ক্যাচ। শেখ মেহেদী নিজের কোটা শেষ করতে এসে প্রথম চার বলে চারিথ আসালাঙ্কার কাছে হজম করেন দুই ছক্কা। তবে পঞ্চম বলে প্রতিশোধ নিতে আর ভুল করেননি মেহেদী। ১৪ বলে ২৮ রান করে ভয়ংকর হয়ে ওঠা আসালাঙ্কাকে করেছেন বোল্ড। ওভারে অবশ্য ১৬ রান খরচ করলেও লঙ্কান অধিনায়কের ক্যামিও থামিয়ে মেহেদী শ্রীলঙ্কার রানের চাকায় দেন ধাক্কা। এরপর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস আর দাসুন শানাকার ব্যাটে ইনিংস শেষ করে আসে শ্রীলঙ্কা। ৩৭ বলে তারা করেন ৫৩ রান, আর তাতেই শ্রীলঙ্কার রান ২০ ওভারে ১৬৫।