শেষ বেলায় শামীম পাটোয়ারীর তান্ডবে রংপুরের রক্ষা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
শেষ বেলায় শামীম পাটোয়ারীর তান্ডবে রংপুরের রক্ষা

শেষ বেলায় শামীম পাটোয়ারীর তান্ডবে রংপুরের রক্ষা

শেষ বেলায় শামীম পাটোয়ারীর তান্ডবে রংপুরের রক্ষা

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন যেন এদিন হোম অব ক্রিকেটের সব আলো নিজের করে নিয়েছেন। প্রথম ডেলিভারিতেই ফেরান ওপেনার শেখ মেহেদীকে, ওভারের শেষ বলে সাইফউদ্দিনের শিকার রংপুরের 'বিগ ফিশ' সাকিব। এরপর একে একে রংপুর হারায় ৭ উইকেট। ধুঁকতে থাকা রংপুরকে অবশ্য শেষ বেলায় স্বস্তি এনে দেয় শামীম পাটোয়ারী। তার অনবদ্য ফিনিশিংয়ে রংপুর পায় ১৪৯ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ। ২০ বলে ঝড়ো ফিফটি পাওয়া শামীম শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৫৯ রানে। 

৭৭ রানে ৭ উইকেট হারানো দলকে একা হাতে টেনে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত নিয়ে যান শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ফিনিশিংয়ে শামীম দেখালেন দাপট। মাত্র ২০ বলে ছুঁয়েছেন পঞ্চাশ রানের মাইলফলক। এক শামীমের তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে ১৯তম ওভারে ওবেদ ম্যাককয় খরচ করে যান মোট ২৬ রান। শামীমকে এদিন অবশ্য যোগ্য সঙ্গ দেন আবু হায়দার রনি। ১৭ ওভারে ১০২ রানে থাকা রংপুর ২০ ওভার শেষে পায় ১৪৯ রান। মাত্র ২৪ বল খেলা শামীম সমান ৫ চার ও ছক্কায় মাঠ ছাড়েন নামের পাশে ৫৯ রান নিয়ে। তার ক্যামিওতেই রংপুরের রক্ষা হয়, পায় চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ।  দু’দলের জন্যই মহা গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ। জিতলেই পেয়ে যাবে ফাইনালের টিকিট। যথারীতি টসে ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবালের জয়। টানা টস জয়, এরপর বোলিং বেছে নেওয়া; বিপিএলে এ যেন তামিমের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ইনিংসের প্রথম ওভার করতে এসে কাইল মায়ের্স খরচ করে যান ৮ রান। পরের ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে অ্যাকশনে এনেই অধিনায়ক তামিমের বাজিমাত। প্রথম ডেলিভারিতেই সাইফউদ্দিন শিকার করেন রংপুরের ওপেনার শেখ মেহেদীকে। ২ রানে থাকা মেহেদীর ব্যাট ছুঁয়ে যায় সাইফউদ্দিনের দারুন এক ডেলিভারি, আম্পায়ার আঙুল না তুললেও রিভিউ চ্যালেঞ্জ নিয়ে উইকেট নিশ্চিত হয় সাইফউদ্দিনের। এখানেই ক্ষান্ত হয়ে যাননি বরিশালের এই তারকা পেসার, ওভারের শেষ বলে সাকিব আল হাসানকে করেছেন বিদায়। বড় ম্যাচে হাসেনি সাকিবের ব্যাট, ৪ বল খেলে করেছেন কেবল ১। ওভারে মাত্র দুই রান খরচায় সাইফউদ্দিনের দখলে জোড়া উইকেট। ১০ রান করতেই দুই উইকেট হারিয়ে ফেলা রংপুর রাইডার্সের বিপদ আরও বাড়ে দলীয় ১৮ রানে রনি তালুকদারের বিদায়ে। বাউন্ডারিবিহীন ১২ বলের ইনিংসে ওপেনার রনি করেন কেবল ৮। দুর্দান্ত কাইল মায়ের্স নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে পেলেন উইকেটের দেখা। ৩ উইকেট খুইয়ে রংপুর রাইডার্স পাওয়ার প্লে'তে স্কোরবোর্ডে জমা করতে পারে কেবল ২৬ রান। জিমি নিশামের ব্যাটে অবশ্য পরের ওভারেই পালটা আক্রমণ চালায় রংপুর। কোটার শেষ তিন বলে এক নিশামের কাছেই হ্যাটট্রিক বাউন্ডারি হজম করেন মায়ের্স। আগের ম্যাচে ৯৭ রানের হার-না-মানা ইনিংস খেলা জিমি নিশাম আজও রংপুরকে করেছেন রক্ষা। তার ব্যাট থেকেই আসে সর্বোচ্চ ২৮ রানের ইনিংস। এরমাঝেই বিদায় ঘটে নিকোলাস পুরানের। ১২ বল খেলা পুরান ৩ রানের বেশি করতে পারেননি। থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি মোহাম্মদ নবী। কোটার শেষ ওভার করতে এসে জোড়া শিকার দখলে নেন জেমস ফুলার।