অস্ট্রেলিয়া সফর সবার শিক্ষা সফর

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: messages.not_available আপডেট: 58 মিনিট আগে
অস্ট্রেলিয়া সফর সবার শিক্ষা সফর

অস্ট্রেলিয়া সফর সবার শিক্ষা সফর

অস্ট্রেলিয়া সফর সবার শিক্ষা সফর

অধিনায়কত্বটা ভালোই উপভোগ্য ছিলো লিটন দাসের। ব্যাক্তিগত পারফরম্যান্সের সাথে ভালো খেলেছে সবাই। জিতেছে সবকটি ম্যাচ। ওয়ানডেতে পাঁচে ৫, তিনদিনের ম্যাচেও বাজিমাত। সব মিলে যে অসাধারণ একটা সফরই কেটেছে লিটন দাসের সাথে গোটা দলের সেটা বলাই যায়। এবার শুধু অপেক্ষা এই সফরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর। পারফরম্যান্সে অনিয়মিত হওয়ায় বাদ পড়তে হয়েছে জাতীয় দল থেকে। এবারের ঘরোয়া লিগেও ছিলেন দূর্দান্ত। ব্যাট হাতে করেছেন নিয়মিত পারফরম্যান্স। তবুও কেন জাতীয় দলে থিতু হতে পারেননা সেই কারণ খুজতেই হয়তো সুদূর অস্ট্রেলিয়া সফর। অষ্ট্রেলিয়ায় বিপরীত কন্ডিশনে নিজে কি শিখলেন, দলের অন্যরা কতটা শিখলো এসব নিয়ে আজ বিসিবিতে লিটন দাস কথা বলেন গণমাধ্যমের সাথে। লিটনের কথায় উঠে আসে এই সফরের অভিজ্ঞতার নানা বিষয়। অধিনায়কত্বটা ভালোমতই উপভোগ করেছেন লিটন দাস। লিটন বলেন, ‘সববার তো দলে খেলোয়াড় হিসেবেই খেলি কিন্ত এবার বাড়তি একটা দায়িত্ব ছিলো অধিনায়কত্বের। এই দায়িত্বটা আমি উপভোগ করেছি। শিখেছি নতুন কিছু।’ বিপরীত কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে লিটন বলেন, ‘কন্ডিশনিং ক্যাম্প করতে গিয়েছিলাম সেটা ঠিকমতই হয়েছে আমি মনে করি। দীর্ঘ যাত্রার পর অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পরদিনই নেমে পড়ি প্রাক্টিসে। এরপরের দিনই নেমে পড়ি ম্যাচ খেলতে। খানিকটা অসুবিধা হলেও নিজেদের মানিয়ে নিয়েছি।’ ‘অস্ট্রেলিয়া সফর ভালোই কাজে দিবে। বিশেষ করে আমার জন্য। পরবর্তীতে খেলতে গেলে সহজেই বুঝতে পারবো কোথায়  কিভাবে খেলা উচিৎ। আমি ওখানে মূলত লক্ষ্য রেখেছিলাম কন্ডিশন মানিয়ে নেয়া, উইকেট কেমন, কিভাবে উইকেটে রিড করা যায় এসবে।  আমার মত সবাই ই নিজেদের উদ্দেশ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিলো। আশা করি সবাই নিজেদের প্রাপ্য বুঝে পেয়েছে।  এবার মাঠে নামলেই বোঝা যাবে কে কতটা শিখেছে। এই সফরটা আমি জাতীয় দলে ঢোকার চিন্তা মাথায় রেখে খেলতে নামিনি। আমি এইচপি দলের হয়ে সেখানে শিখতে গিয়েছি। সেখানে কতটা শিখেছি সেটা ভবিষ্যতই বলে দিবে।’